০৫:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালশী বস্তিতে আনন্দহীন বেদনাদায়ক কান্নার ঈদ

  • আপডেট: ০৪:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
  • 10

সূর্যোদয় ডেস্ক : রাজধানীর পল্লবীর কালশী বাউনিয়াবাঁধ বস্তির বাসিন্দাদের জন্য এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা ছিলো আনন্দহীন এক বেদনাদায়ক সময়। যেখানে ঈদ মানেই ছিলো পরিবার, নতুন পোশাক আর কোরবানির আনন্দ, সেখানে আগুনে সব হারিয়ে কান্নায় কেটেছে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঈদ। গত সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যায় বস্তির শত শত ঘরবাড়ি ও ভাঙারির দোকান। আগুনে মুহূর্তেই ছাই হয়ে যায় বহু পরিবারের বহু বছরের গড়ে তোলা সামান্য সহায়-সম্বল। ঈদের মাত্র তিনদিন আগে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন শতাধিক পরিবার। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে ঘর থেকে কিছুই বের করার সুযোগ পাননি তারা। অনেকেই চোখের সামনে নিজেদের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, টাকা-পয়সা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে যেতে দেখেছেন। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকে বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কেউ আশ্রয় নিয়েছেন আশপাশের অস্থায়ী শেডে, আবার কেউ খোলা জায়গায় পলিথিন টাঙিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। ঈদের দিনেও তাদের চোখেমুখে ছিল না কোনো উৎসবের আনন্দ। ছিল শুধু অনিশ্চয়তা আর বেঁচে থাকার সংগ্রাম। এক ক্ষতিগ্রস্ত নারী বলেন, “ঈদে বাচ্চাদের নতুন কাপড় কিনেছিলাম। সব আগুনে পুড়ে গেছে। এখন খাবারই জোটাতে পারছি না। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের পাঁচ দিন আগে বস্তিটি ঘিরে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। এরপর ভয়াবহ এ আগুনে পুরো এলাকায় নেমে আসে চরম দুর্ভোগ। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসন ও সহায়তার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি আগুন লাগার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কার্যকর তদন্তেরও দাবি উঠেছে।

কালশী বস্তিতে আনন্দহীন বেদনাদায়ক কান্নার ঈদ

কালশী বস্তিতে আনন্দহীন বেদনাদায়ক কান্নার ঈদ

আপডেট: ০৪:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক : রাজধানীর পল্লবীর কালশী বাউনিয়াবাঁধ বস্তির বাসিন্দাদের জন্য এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা ছিলো আনন্দহীন এক বেদনাদায়ক সময়। যেখানে ঈদ মানেই ছিলো পরিবার, নতুন পোশাক আর কোরবানির আনন্দ, সেখানে আগুনে সব হারিয়ে কান্নায় কেটেছে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঈদ। গত সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যায় বস্তির শত শত ঘরবাড়ি ও ভাঙারির দোকান। আগুনে মুহূর্তেই ছাই হয়ে যায় বহু পরিবারের বহু বছরের গড়ে তোলা সামান্য সহায়-সম্বল। ঈদের মাত্র তিনদিন আগে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন শতাধিক পরিবার। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে ঘর থেকে কিছুই বের করার সুযোগ পাননি তারা। অনেকেই চোখের সামনে নিজেদের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, টাকা-পয়সা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে যেতে দেখেছেন। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকে বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কেউ আশ্রয় নিয়েছেন আশপাশের অস্থায়ী শেডে, আবার কেউ খোলা জায়গায় পলিথিন টাঙিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। ঈদের দিনেও তাদের চোখেমুখে ছিল না কোনো উৎসবের আনন্দ। ছিল শুধু অনিশ্চয়তা আর বেঁচে থাকার সংগ্রাম। এক ক্ষতিগ্রস্ত নারী বলেন, “ঈদে বাচ্চাদের নতুন কাপড় কিনেছিলাম। সব আগুনে পুড়ে গেছে। এখন খাবারই জোটাতে পারছি না। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের পাঁচ দিন আগে বস্তিটি ঘিরে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। এরপর ভয়াবহ এ আগুনে পুরো এলাকায় নেমে আসে চরম দুর্ভোগ। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসন ও সহায়তার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি আগুন লাগার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কার্যকর তদন্তেরও দাবি উঠেছে।