সূর্যোদয় ডেস্ক : বিভাগীয় নগরী রংপুরের ২২টি ফিলিং স্টেশনের সবগুলো বন্ধ। তিনটিতে তেল দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেওয়ার পর ভোর থেকে সেখানে মোটরসাইকেল আর প্রাইভেটকারের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। তবে কখন তেল দেওয়া হবে তা ফিলিং স্টেশনগুলোর কর্মচারীরা বলতে পারছেন না। ফলে অনিশ্চয়তার মধ্যে অপেক্ষা করছেন গ্রাহকরা। এদিকে, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করার পরে এখনও রেশনিং পদ্ধতিতে ডিপো থেকে চাহিদার অর্ধেক জ্বালানি সরবরাহ করায় গ্রাহকরা তেল পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে। এ ছাড়া, নগরীর সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না, সেখানেও রেশনিং পদ্ধতি এখনও বহাল রাখা রাখা হয়েছে। ফলে দু-তিন দিন পরপর একেকটা ফিলিং স্টেশনকে চাহিদার অর্ধেক জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে বলে ফিলিং স্টেশনগুলোর অভিযোগ। রবিবার সকালে রংপুর নগরীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ঘুরে দেখা গেছে, নগরীর ধাপ এলাকায় সিটি ফিলিং স্টেশনের সামনে মোটরসাইকেল আর প্রাইভেটকারের দীর্ঘ লাইন। মোটরসাইকেল চালকরা বলছেন, ফজরের আজানের পরপরই তারা ফিলিং স্টেশনে লাইন ধরে অপেক্ষা করছেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষ কিছুই বলছে না কখন তেল দেবে। ওই ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টায় মোটরসাইকেলের লাইন দীর্ঘ হতে হতে প্রায় এক কিলোমিটার ছাড়িয়ে গেছে। এদিকে, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পর আগে ডিপো থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে যে জ্বালানি দেওয়া হতো এখন তা আরও কমিয়ে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের। এ ব্যাপারে নর্দান ফিলিং স্টেশনের সহকারী ম্যানেজার রিপন বলেন, এখনও রেশনিং পদ্ধতিতে ৬ হাজার লিটারের স্থলে ৩ হাজার লিটার জ্বালানি দেওয়ায় আমরা চাহিদা পূরণ করতে পারছি না।
০৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:



















