০৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেঘনায় ঝটিকা অভিযানে সন্ত্রাসী বাতেন খন্দকার জুয়ার আসর থেকে আটক

  • আপডেট: ১১:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • 32

সূর্যোদয় ডেস্ক : কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার মানিকারচর ইউনিয়নের শিকিরগাঁও এলাকা থেকে সন্ত্রাসী বাতেন খন্দকারসহ আট জনকে জুয়ার আসর থেকে গ্রেফতার করেছে মেঘনা থানা পুলিশ। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিনগত রাত পৌনে ১০টার দিকে এ জুয়ারিদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতার আসামিরা হলেন-শিকিরগাঁও গ্রামের মো. ধনু মিয়ার ছেলে ও মানিকারচরের ইউপি সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সদস্য আব্দুল বাতেন খন্দকার (৫১), মানিকারচর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে হেলাল উদ্দিন ওরফে হেলাইন্না (৪৭), মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে মো. নাইম (৫১), শিকিরগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুর রশীদের ছেলে জসিম উদ্দিন (৫০), নুরু মিয়ার ছেলে আলমগীর (৪২), উত্তর বাওশিয়া গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে ডালিম মিয়া (৪৫), শিকিরগাঁও গ্রামের মৃত সাব মিয়ার ছেলে শাহিন মিয়া (৩২) ও বল্লভেরকান্দি গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া (৪৮)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেঘনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জিয়াউর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় মানিকারচর বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনি তথ্য পান যে, উপজেলার মানিকারচর ইউনিয়নের শিকিরগাঁও এলাকায় সন্ত্রাসী আব্দুল বাতেন খন্দকারের বাড়িতে টাকার বিনিময়ে জুয়ার আসর বসেছে। পরে বিষয়টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অবহিত করা হলে তাঁর নির্দেশে ঘটনাস্থলে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তিন বান্ডিল তাস, ৪৬ হাজার ৬০ টাকা ও সাতটি স্মার্টফোনসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১ নম্বর আসামি আব্দুল বাতেন খন্দকার ও ৮ নম্বর আসামি সাক্ষীদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদে নিজেদের পরিচয় নিশ্চিত করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে টাকার বিনিময়ে জুয়া খেলে আসছিলেন বলে তারা স্বীকার করেন। জানাগেছে, সন্ত্রাসী বাতেন খন্দকার এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।
এ বিষয়ে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মাদক, মারামারি, ধর্ষণ ও অপহরণের মামলাও রয়েছে। তবে গ্রেপ্তার আসামিদের বুধবার সকালে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

কৃষকদল নেতার কন্যাকে অপহরণ করলেন বান্দরবান সরকারি ছাত্রদল নেতা

মেঘনায় ঝটিকা অভিযানে সন্ত্রাসী বাতেন খন্দকার জুয়ার আসর থেকে আটক

আপডেট: ১১:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক : কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার মানিকারচর ইউনিয়নের শিকিরগাঁও এলাকা থেকে সন্ত্রাসী বাতেন খন্দকারসহ আট জনকে জুয়ার আসর থেকে গ্রেফতার করেছে মেঘনা থানা পুলিশ। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিনগত রাত পৌনে ১০টার দিকে এ জুয়ারিদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতার আসামিরা হলেন-শিকিরগাঁও গ্রামের মো. ধনু মিয়ার ছেলে ও মানিকারচরের ইউপি সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সদস্য আব্দুল বাতেন খন্দকার (৫১), মানিকারচর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে হেলাল উদ্দিন ওরফে হেলাইন্না (৪৭), মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে মো. নাইম (৫১), শিকিরগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুর রশীদের ছেলে জসিম উদ্দিন (৫০), নুরু মিয়ার ছেলে আলমগীর (৪২), উত্তর বাওশিয়া গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে ডালিম মিয়া (৪৫), শিকিরগাঁও গ্রামের মৃত সাব মিয়ার ছেলে শাহিন মিয়া (৩২) ও বল্লভেরকান্দি গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া (৪৮)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেঘনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জিয়াউর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় মানিকারচর বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনি তথ্য পান যে, উপজেলার মানিকারচর ইউনিয়নের শিকিরগাঁও এলাকায় সন্ত্রাসী আব্দুল বাতেন খন্দকারের বাড়িতে টাকার বিনিময়ে জুয়ার আসর বসেছে। পরে বিষয়টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অবহিত করা হলে তাঁর নির্দেশে ঘটনাস্থলে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তিন বান্ডিল তাস, ৪৬ হাজার ৬০ টাকা ও সাতটি স্মার্টফোনসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১ নম্বর আসামি আব্দুল বাতেন খন্দকার ও ৮ নম্বর আসামি সাক্ষীদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদে নিজেদের পরিচয় নিশ্চিত করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে টাকার বিনিময়ে জুয়া খেলে আসছিলেন বলে তারা স্বীকার করেন। জানাগেছে, সন্ত্রাসী বাতেন খন্দকার এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।
এ বিষয়ে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মাদক, মারামারি, ধর্ষণ ও অপহরণের মামলাও রয়েছে। তবে গ্রেপ্তার আসামিদের বুধবার সকালে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।