১২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভিযোগের মুখে হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

  • আপডেট: ১২:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • 7

সূর্যোদয় ডেস্ক : দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগের মুখে পদত্যাগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি তার পদত্যাগপত্রটি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করেন। এর আগে ওই বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছিল। শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কেএম মজিবুল হক বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে এই আবেদন করেন। আবেদনে অভিযোগগুলো তদন্ত করার অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধান অনুযায়ী যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার কার্যধারায় অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। একটি মামলার শুনানিতে সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও রায়ে তার নামে কাল্পনিক যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যায়। অন্য একটি মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে কোনো প্রকার পক্ষ না করেই তার মালিকানাধীন ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থি বলে আবেদনকারী দাবি করেছেন।

সর্বাধিক পঠিত

অভিযোগের মুখে হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

অভিযোগের মুখে হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

আপডেট: ১২:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক : দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগের মুখে পদত্যাগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি তার পদত্যাগপত্রটি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করেন। এর আগে ওই বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছিল। শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কেএম মজিবুল হক বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে এই আবেদন করেন। আবেদনে অভিযোগগুলো তদন্ত করার অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধান অনুযায়ী যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার কার্যধারায় অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। একটি মামলার শুনানিতে সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও রায়ে তার নামে কাল্পনিক যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যায়। অন্য একটি মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে কোনো প্রকার পক্ষ না করেই তার মালিকানাধীন ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থি বলে আবেদনকারী দাবি করেছেন।