১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সূর্যের দেখা মিললেও কনকনে শীতে কাবু উত্তরের জনপদ

  • আপডেট: ১২:২৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪
  • 144

আহসান হাবিব, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: তাপমাত্রার পারদ বাড়লেও ১০ ডিগ্রির নিচে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ভোরে কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের দেখা মিললেও কনকনে শীতে কাবু উত্তরের এ জনপদ। মাঝারি থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় দূর্ভোগে কাটছে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীদের জীবন। ৩১ জানুয়ারী বুধবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এর আগে ভোর ৬টায় একই তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। যা গতকালের চেয়ে ১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারী) একই সময়ে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের দেয়া তথ্যমতে, গত ২৩ জানুয়ারী থেকেই এ জেলায় মৃদু, মাঝারী ও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বইছে। এর মধ্যে গত ২৪ জানুয়ারী থেকে ৩০ জানুয়ারী পর্যন্ত এ জেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। সকালে তাপমাত্রা রেকর্ডের তথ্যটি জানান জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ। ৩০ জানুয়ারী ৭.৬, ২৯ জানুয়ারী ৬.৮, ২৮ জানুয়ারী ৫.০, ২৭ জানুয়ারী ৭.২, ২৬ জানুয়ারী ৫.৮, ২৫ জানুয়ারী ৮.৬, ২৪ জানুয়ারী ৮.৪ ও ২৩ জানুয়ারী ৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকদিন ধরে ভোরেই কুয়াশা ভেদ করে দেখা মিলছে সূর্য। ঘড়ির কাটায় সময় বাড়তে থাকলে রোদ ঝলমলে হয়ে উঠে দিন। তবে ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত শীতের পারদ নেমে আসলে শীতের তীব্রতায় জর্জরিত শিশু ও বৃদ্ধরা।

দুূর্ভোগে পড়েছে বিভিন্ন গৃহপালিত ও বন্য প্রাণীরাও। লাগাতার শীতের কারণে দূর্ভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষদের। কাজকর্ম কমে যাওয়ায় দিন কাটছে অভাব-অনটনের ভেতর। প্রয়াজনের বাইরে শহরের অভিজাত মানুষজন ঘর থেকে বের না হলেও জীবিকার তাগিদে নিম্ন আয়ের মানুষের শীত উপেক্ষা করেই কাজে যেতে হচ্ছে। এদিকে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান বন্ধ থাকলে সকাল সাতটা থেকেই স্কুল, কোচিং, প্রাইভেটে যেতে দেখা গেছে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের। শীতের কারণে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগ। এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোর আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন লোকজন। কামাই-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকে শীতজনিত রোগ বেড়ে যাওয়ায় টাকার অভাবে ঔষুধপত্র কিনতে পারছেন না অনেকে। জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, গতকালের চেয়ে আজ বুধবার তাপমাত্রা বেড়ে সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ তাপমাত্রায় এ অঞ্চলে এখন মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এ অঞ্চলে মৃদু, মাঝারি ও দুইদিন তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়েছে এ জেলায়। এদিকে নিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হলেও সকালেই দেখা মিলছে সূর্যের মুখ। হিমশীতলের বাতাসের কারণে তীব্রশীত অনুভূত হচ্ছে।

মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন হাসপাতালে বেকারির সন্ধান

সূর্যের দেখা মিললেও কনকনে শীতে কাবু উত্তরের জনপদ

আপডেট: ১২:২৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪

আহসান হাবিব, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: তাপমাত্রার পারদ বাড়লেও ১০ ডিগ্রির নিচে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ভোরে কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের দেখা মিললেও কনকনে শীতে কাবু উত্তরের এ জনপদ। মাঝারি থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় দূর্ভোগে কাটছে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীদের জীবন। ৩১ জানুয়ারী বুধবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এর আগে ভোর ৬টায় একই তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। যা গতকালের চেয়ে ১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারী) একই সময়ে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের দেয়া তথ্যমতে, গত ২৩ জানুয়ারী থেকেই এ জেলায় মৃদু, মাঝারী ও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বইছে। এর মধ্যে গত ২৪ জানুয়ারী থেকে ৩০ জানুয়ারী পর্যন্ত এ জেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। সকালে তাপমাত্রা রেকর্ডের তথ্যটি জানান জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ। ৩০ জানুয়ারী ৭.৬, ২৯ জানুয়ারী ৬.৮, ২৮ জানুয়ারী ৫.০, ২৭ জানুয়ারী ৭.২, ২৬ জানুয়ারী ৫.৮, ২৫ জানুয়ারী ৮.৬, ২৪ জানুয়ারী ৮.৪ ও ২৩ জানুয়ারী ৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকদিন ধরে ভোরেই কুয়াশা ভেদ করে দেখা মিলছে সূর্য। ঘড়ির কাটায় সময় বাড়তে থাকলে রোদ ঝলমলে হয়ে উঠে দিন। তবে ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত শীতের পারদ নেমে আসলে শীতের তীব্রতায় জর্জরিত শিশু ও বৃদ্ধরা।

দুূর্ভোগে পড়েছে বিভিন্ন গৃহপালিত ও বন্য প্রাণীরাও। লাগাতার শীতের কারণে দূর্ভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষদের। কাজকর্ম কমে যাওয়ায় দিন কাটছে অভাব-অনটনের ভেতর। প্রয়াজনের বাইরে শহরের অভিজাত মানুষজন ঘর থেকে বের না হলেও জীবিকার তাগিদে নিম্ন আয়ের মানুষের শীত উপেক্ষা করেই কাজে যেতে হচ্ছে। এদিকে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান বন্ধ থাকলে সকাল সাতটা থেকেই স্কুল, কোচিং, প্রাইভেটে যেতে দেখা গেছে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের। শীতের কারণে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগ। এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোর আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন লোকজন। কামাই-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকে শীতজনিত রোগ বেড়ে যাওয়ায় টাকার অভাবে ঔষুধপত্র কিনতে পারছেন না অনেকে। জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, গতকালের চেয়ে আজ বুধবার তাপমাত্রা বেড়ে সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ তাপমাত্রায় এ অঞ্চলে এখন মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এ অঞ্চলে মৃদু, মাঝারি ও দুইদিন তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়েছে এ জেলায়। এদিকে নিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হলেও সকালেই দেখা মিলছে সূর্যের মুখ। হিমশীতলের বাতাসের কারণে তীব্রশীত অনুভূত হচ্ছে।