০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাশকতার মামলায় বিএনপির আলতাফ-হাফিজের ২১ মাসের কারাদণ্ড

  • মিশু দাশ
  • আপডেট: ০৩:৪২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩
  • 154

মিশু দাশ: রাজধানীর গুলশান থানার একটি নাশকতার মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মেজর (অব.) মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) মো. হানিফকে পৃথক দুই ধারায় ২১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন মাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত এ রায় দেন।

রায়ে এক ধারায় তাদের তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য আরেক ধারায় দেড় বছর কারাদদণ্ডের পাশাপাশি তাদের পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাদের আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ৫ আসামিকে পৃথক দুই ধারায় সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এরা হলেন- এমএ আউয়াল খান, রাসেল, মইনুল ইসলাম, বাবুল হোসেন ওরফে বাবুল ও আলমগীর বিশ্বাস ওরফে রাজু। এক ধারায় তাদের তিন বছর করে কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাদের এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরেক ধারায় দেওয়া হয়েছে ৬ মাসের কারাদণ্ড।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু সাজার বিষয় নিশ্চিত করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ৪ জুন সন্ধ্যা ৭ টা ২৫ ঘটিকার সময়ে গুলশান থানাধীন মহাখালী ওয়ারলেছ গেট পানির ট্যাংকির সামনে রাস্তার উপর অবৈধ সমাবেশ থেকে পুলিশের কাজে বাধা প্রদান এবং আক্রমন করেন আসামিরি। রাস্তার চলাচলরত গাড়ী ভাংচুর ও আগুন ধরিয়ে দেন। মামলাটি তদন্তের পর ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল গুলশান থানার এসআই কামরুল হাসান তালুকদার আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

রাজধানীর কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন

নাশকতার মামলায় বিএনপির আলতাফ-হাফিজের ২১ মাসের কারাদণ্ড

আপডেট: ০৩:৪২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩

মিশু দাশ: রাজধানীর গুলশান থানার একটি নাশকতার মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মেজর (অব.) মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) মো. হানিফকে পৃথক দুই ধারায় ২১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন মাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত এ রায় দেন।

রায়ে এক ধারায় তাদের তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য আরেক ধারায় দেড় বছর কারাদদণ্ডের পাশাপাশি তাদের পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাদের আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ৫ আসামিকে পৃথক দুই ধারায় সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এরা হলেন- এমএ আউয়াল খান, রাসেল, মইনুল ইসলাম, বাবুল হোসেন ওরফে বাবুল ও আলমগীর বিশ্বাস ওরফে রাজু। এক ধারায় তাদের তিন বছর করে কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাদের এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরেক ধারায় দেওয়া হয়েছে ৬ মাসের কারাদণ্ড।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু সাজার বিষয় নিশ্চিত করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ৪ জুন সন্ধ্যা ৭ টা ২৫ ঘটিকার সময়ে গুলশান থানাধীন মহাখালী ওয়ারলেছ গেট পানির ট্যাংকির সামনে রাস্তার উপর অবৈধ সমাবেশ থেকে পুলিশের কাজে বাধা প্রদান এবং আক্রমন করেন আসামিরি। রাস্তার চলাচলরত গাড়ী ভাংচুর ও আগুন ধরিয়ে দেন। মামলাটি তদন্তের পর ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল গুলশান থানার এসআই কামরুল হাসান তালুকদার আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।