০৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টলবীর মহিউদ্দিন চৌধুরীর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  • প্রদীপ নাথ
  • আপডেট: ০১:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩
  • 168

প্রদীপ নাথ, চট্টগ্রাম থেকে: আজ ১৫ ডিসেম্বর শুক্রবার চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে সকাল ৯টায় চট্টগ্রামের চশমা জামে মসজিদে খতমে কোরআন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় মরহুমের কবর জিয়ারত ও পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর জন্ম ১৯৪৪ সালের ১ ডিসেম্বর রাউজানের গহিরা গ্রামের বক্স আলী চৌধুরী বাড়িতে। বাবা রেল কর্মকর্তা হোসেন আহমদ চৌধুরী এবং মা বেদুরা বেগম। ছাত্রাবস্থায় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া মহিউদ্দিন ১৯৬২ সালে এসএসসি, ১৯৬৫ সালে এইচএসসি এবং ১৯৬৭ সালে ডিগ্রি পাস করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ এবং পরে আইন কলেজে ভর্তি হলেও শেষ করেননি। জড়িয়ে পড়েন ছাত্র আন্দোলনে। ১৯৬৮ ও ১৯৬৯ সালে চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা মহিউদ্দিন চৌধুরী একাত্তরে গঠন করেন ‘জয় বাংলা’ বাহিনী। গ্রেপ্তার হন পাকিস্তানি সেনাদের হাতে। পাগলের অভিনয় করে কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে পালিয়ে যান ভারতে। উত্তর প্রদেশের তান্ডুয়া সামরিক ক্যাম্পে প্রশিক্ষণরত মুক্তিযোদ্ধাদের একটি স্কোয়াডের কমান্ডার নিযুক্ত হন তিনি।

পঁচাত্তরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর প্রতিশোধ নিতে মৌলভী সৈয়দের নেতৃত্বে মহিউদ্দিন চৌধুরী গঠন করেন মুজিব বাহিনী। সে সময় চট্টগ্রাম ষড়যন্ত্র মামলার আসামি করা হলে তিনি কলকাতায় চলে যেতে বাধ্য যান।

এরপর ১৯৭৮ সালে দেশে ফেরেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মহিউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের শীর্ষ পদে ছিলেন।

১৯৯৪ সালে প্রথমবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে প্রার্থী হয়েই মহিউদ্দিন চৌধুরী বিজয়ী হন। ২০০০ সালে দ্বিতীয় দফায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং ২০০৫ সালে তৃতীয় দফায় মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। প্রায় দুই যুগ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করার পর ২০০৬ সালের ২৭ জুন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হন মহিউদ্দিন চৌধুরী।

চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিকাল ৩টায় স্টেশন রোডস্থ হোটেল সৈকত অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, অংশ নিয়েছেন বিশ্বের ১৫ লাখ বেশি মুসলমান

চট্টলবীর মহিউদ্দিন চৌধুরীর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেট: ০১:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩

প্রদীপ নাথ, চট্টগ্রাম থেকে: আজ ১৫ ডিসেম্বর শুক্রবার চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে সকাল ৯টায় চট্টগ্রামের চশমা জামে মসজিদে খতমে কোরআন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় মরহুমের কবর জিয়ারত ও পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর জন্ম ১৯৪৪ সালের ১ ডিসেম্বর রাউজানের গহিরা গ্রামের বক্স আলী চৌধুরী বাড়িতে। বাবা রেল কর্মকর্তা হোসেন আহমদ চৌধুরী এবং মা বেদুরা বেগম। ছাত্রাবস্থায় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া মহিউদ্দিন ১৯৬২ সালে এসএসসি, ১৯৬৫ সালে এইচএসসি এবং ১৯৬৭ সালে ডিগ্রি পাস করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ এবং পরে আইন কলেজে ভর্তি হলেও শেষ করেননি। জড়িয়ে পড়েন ছাত্র আন্দোলনে। ১৯৬৮ ও ১৯৬৯ সালে চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা মহিউদ্দিন চৌধুরী একাত্তরে গঠন করেন ‘জয় বাংলা’ বাহিনী। গ্রেপ্তার হন পাকিস্তানি সেনাদের হাতে। পাগলের অভিনয় করে কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে পালিয়ে যান ভারতে। উত্তর প্রদেশের তান্ডুয়া সামরিক ক্যাম্পে প্রশিক্ষণরত মুক্তিযোদ্ধাদের একটি স্কোয়াডের কমান্ডার নিযুক্ত হন তিনি।

পঁচাত্তরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর প্রতিশোধ নিতে মৌলভী সৈয়দের নেতৃত্বে মহিউদ্দিন চৌধুরী গঠন করেন মুজিব বাহিনী। সে সময় চট্টগ্রাম ষড়যন্ত্র মামলার আসামি করা হলে তিনি কলকাতায় চলে যেতে বাধ্য যান।

এরপর ১৯৭৮ সালে দেশে ফেরেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মহিউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের শীর্ষ পদে ছিলেন।

১৯৯৪ সালে প্রথমবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে প্রার্থী হয়েই মহিউদ্দিন চৌধুরী বিজয়ী হন। ২০০০ সালে দ্বিতীয় দফায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং ২০০৫ সালে তৃতীয় দফায় মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। প্রায় দুই যুগ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করার পর ২০০৬ সালের ২৭ জুন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হন মহিউদ্দিন চৌধুরী।

চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিকাল ৩টায় স্টেশন রোডস্থ হোটেল সৈকত অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।