Dhaka ১২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩
  • 15

তপন তালুকদার, চট্টগ্রাম থেকে : মহাসড়ক থেকে পানি নেমে যাওয়ায় দুইদিন পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। আজ ১০ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। তবে বন্ধ রয়েছে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি খান মোহাম্মদ ইরফান বলেন, মহাসড়ক থেকে পানি নেমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এদিকে মহাসড়ক থেকে বন্যার পানি নামলেও এখন বিস্তীর্ণ ফসলী জমি ও লোকালয় তলিয়ে আছে পানিতে। বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও বেশিরভাগ এলাকা থেকে পানি না নামায় বাড়িতে ফিরতে পারছে না লোকজন। পানিবন্দী মানুষ আশ্রয় নিয়েছে আশেপাশের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে। স্বাভাবিক হয়েছে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিও। এর আগে চারদিনের বর্ষণে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৪ উপজেলাসহ কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায়।

জেলা, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের হিসাব মতে, সাতকানিয়ায় সাড়ে ২২ হাজার পরিবার, চন্দনাইশে ৫ হাজার, পটিয়ায় ১৬ হাজার ৫৯৫ পরিবার এবং লোহাগাড়ায় ৪ হাজার পরিবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

https://dainiksurjodoy.com/wp-content/uploads/2023/12/Green-White-Modern-Pastel-Travel-Agency-Discount-Video5-2.gif

রাজধানীর মতিঝিলে লক্ষ্মী নারায়ণ জিউ মন্দিরের ২০০ কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধার

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে

Update Time : ১১:২১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩

তপন তালুকদার, চট্টগ্রাম থেকে : মহাসড়ক থেকে পানি নেমে যাওয়ায় দুইদিন পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। আজ ১০ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। তবে বন্ধ রয়েছে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি খান মোহাম্মদ ইরফান বলেন, মহাসড়ক থেকে পানি নেমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এদিকে মহাসড়ক থেকে বন্যার পানি নামলেও এখন বিস্তীর্ণ ফসলী জমি ও লোকালয় তলিয়ে আছে পানিতে। বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও বেশিরভাগ এলাকা থেকে পানি না নামায় বাড়িতে ফিরতে পারছে না লোকজন। পানিবন্দী মানুষ আশ্রয় নিয়েছে আশেপাশের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে। স্বাভাবিক হয়েছে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিও। এর আগে চারদিনের বর্ষণে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৪ উপজেলাসহ কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায়।

জেলা, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের হিসাব মতে, সাতকানিয়ায় সাড়ে ২২ হাজার পরিবার, চন্দনাইশে ৫ হাজার, পটিয়ায় ১৬ হাজার ৫৯৫ পরিবার এবং লোহাগাড়ায় ৪ হাজার পরিবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।