Dhaka ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রাম জেলায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০২৩
  • 11

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামে উজানের ঢল আর ভারী বৃষ্টির কারণে ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন জেলার প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। ঘরে পানি ওঠায় অনেকে উঁচু স্থানে ও নৌকার মধ্যে রাত কাটাচ্ছেন। এখানে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার এবং ধরলা নদীর পানি শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ধরলা নদী সেতু পয়েন্টে ৯ সেমি ও কাউনিয়ায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেমি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জানা গেছে, সদর উপজেলার চরমাধবরামপুর গ্রামের বাসিন্দরা গত চারদিন ধরে পানিবন্দি। টিউবওয়েল তলিয়ে গেছে। চুলার অভাবে রান্না ঠিকমতো হচ্ছে না। যাত্রাপুর ইউনিয়নে প্রায় ৩ হাজার মানুষ পানিবন্দি। অধিকাংশ রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। নৌকা, ভেলা ছাড়া চলাচলের উপায় নেই। পানিবন্দি মানুষেরা সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত জেলার নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি হতে পারে। কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

https://dainiksurjodoy.com/wp-content/uploads/2023/12/Green-White-Modern-Pastel-Travel-Agency-Discount-Video5-2.gif

নিউইয়র্কে সেইভ দ্য পিপল’র উদ্যোগে হালাল খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

কুড়িগ্রাম জেলায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি

Update Time : ১১:০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০২৩

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামে উজানের ঢল আর ভারী বৃষ্টির কারণে ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন জেলার প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। ঘরে পানি ওঠায় অনেকে উঁচু স্থানে ও নৌকার মধ্যে রাত কাটাচ্ছেন। এখানে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার এবং ধরলা নদীর পানি শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ধরলা নদী সেতু পয়েন্টে ৯ সেমি ও কাউনিয়ায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেমি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জানা গেছে, সদর উপজেলার চরমাধবরামপুর গ্রামের বাসিন্দরা গত চারদিন ধরে পানিবন্দি। টিউবওয়েল তলিয়ে গেছে। চুলার অভাবে রান্না ঠিকমতো হচ্ছে না। যাত্রাপুর ইউনিয়নে প্রায় ৩ হাজার মানুষ পানিবন্দি। অধিকাংশ রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। নৌকা, ভেলা ছাড়া চলাচলের উপায় নেই। পানিবন্দি মানুষেরা সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত জেলার নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি হতে পারে। কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে।