Dhaka ১১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আগামীকাল সোমবার শপথ নেবেন নতুন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২০:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৩
  • 10702

সূর্যোদয় প্রতিবেদক : আগামীকাল ২৪ এপ্রিল সোমবার শপথ নেবেন ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আগামীকাল বেলা ১১টার দিকে বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে শপথ অনুষ্ঠান হবে। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী মো. সাহাবুদ্দিনকে শপথ পাঠ করাবেন। এ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, নতুন রাষ্ট্রপতির স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা ও ছেলে আরশাদ আদনান রনি, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যসহ কয়েকশ বিশিষ্ট অতিথি। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। এরপর নতুন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ নথিতে স্বাক্ষর করবেন। রাষ্ট্রপতির সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, শপথ গ্রহণের পরই নতুন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আনুষ্ঠানিকভাবে আসন বদল করবেন। মো. সাহাবুদ্দিন ২১তম রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের স্থলাভিষিক্ত হবেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে ৪১ দিনসহ টানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ১০ বছর ৪১ দিন অতিবাহিত করার পর অবসরে যাচ্ছেন আবদুল হামিদ। গত ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রæয়ারি বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি ১৯৪৯ সালের ১০ ডিসেম্বর পাবনা শহরের শিবরামপুরের জুবিলী ট্যাংকপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাক নাম চুপ্পু। তার বাবা শরফুদ্দিন আনছারী ও মা খায়রুন্নেসা। মো. সাহাবুদ্দিন ১৯৭৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে এলএলবি ও বিসিএস (বিচার) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, পাবনা জেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। জেলা বাকশালের যুগ্ম-সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সাহাবুদ্দিন ছেষট্টির ৬ দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি পাবনা জেলার আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করেন। ওই সময় সামরিক স্বৈরশাসকদের রোষাণলে তিন বছর জেল খাটেন এবং অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হন তিনি। মো. সাহাবুদ্দিন দৈনিক বাংলার বাণীতে সাংবাদিকতাও করেছেন। তার অনেক কলাম বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে ছাপা হয়েছে। কর্মজীবনে তিনি জেলা ও দায়রা জজ এবং দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক এবং বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত সমন্বয়কারী হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

Tag :

আগামীকাল সোমবার শপথ নেবেন নতুন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

Update Time : ০৮:২০:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৩

সূর্যোদয় প্রতিবেদক : আগামীকাল ২৪ এপ্রিল সোমবার শপথ নেবেন ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আগামীকাল বেলা ১১টার দিকে বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে শপথ অনুষ্ঠান হবে। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী মো. সাহাবুদ্দিনকে শপথ পাঠ করাবেন। এ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, নতুন রাষ্ট্রপতির স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা ও ছেলে আরশাদ আদনান রনি, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যসহ কয়েকশ বিশিষ্ট অতিথি। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। এরপর নতুন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ নথিতে স্বাক্ষর করবেন। রাষ্ট্রপতির সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, শপথ গ্রহণের পরই নতুন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আনুষ্ঠানিকভাবে আসন বদল করবেন। মো. সাহাবুদ্দিন ২১তম রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের স্থলাভিষিক্ত হবেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে ৪১ দিনসহ টানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ১০ বছর ৪১ দিন অতিবাহিত করার পর অবসরে যাচ্ছেন আবদুল হামিদ। গত ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রæয়ারি বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি ১৯৪৯ সালের ১০ ডিসেম্বর পাবনা শহরের শিবরামপুরের জুবিলী ট্যাংকপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাক নাম চুপ্পু। তার বাবা শরফুদ্দিন আনছারী ও মা খায়রুন্নেসা। মো. সাহাবুদ্দিন ১৯৭৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে এলএলবি ও বিসিএস (বিচার) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, পাবনা জেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। জেলা বাকশালের যুগ্ম-সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সাহাবুদ্দিন ছেষট্টির ৬ দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি পাবনা জেলার আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করেন। ওই সময় সামরিক স্বৈরশাসকদের রোষাণলে তিন বছর জেল খাটেন এবং অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হন তিনি। মো. সাহাবুদ্দিন দৈনিক বাংলার বাণীতে সাংবাদিকতাও করেছেন। তার অনেক কলাম বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে ছাপা হয়েছে। কর্মজীবনে তিনি জেলা ও দায়রা জজ এবং দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক এবং বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত সমন্বয়কারী হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।