০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়ি দাঁতমারায় বরই চাষ করে তৌহিদের ভাগ্য বদল

  • আপডেট: ০১:০৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩
  • 3363

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : ফটিকছড়ি দাঁতমারার শিক্ষিত যুবক তৌহিদ বরই চাষ করে আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। পতিত জমিতে বরই চাষ এলাকায় বেশ সাড়া জাগিয়েছ। প্রতিদিন নানা বয়সী মানুষ ছুটে আসছেন বাগান দেখতে। অনেকেই বাগান দেখে বরই চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। বলতে গেলে তৌহিদের হাত ধরেই উপজেলায় উন্নত জাতের বরই চাষে বাজিমাৎ। পাশাপাশি তার বাগানে কাজ তরে কর্মসস্থান সৃষ্টি হয়েছে অন্তত দশ জন লোকের। জানাগেছে, উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ছোট কাঞ্চনা গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান তৌহিদুল। লেখাপড়া উচ্চ
মাধ্যমিক পর্যন্ত। শিক্ষার পাঠ শেষ না করে এনজিও সংস্থায় চাকুরী নিলেও স্বপ্ন দেখতেন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে কিছু একটা করার।
এক সময় চাকুরী ছেড়ে দিয়ে বাড়ির পাশে নিজেদের পতিত জমিতে চাষাবাদ করার চিন্তা থেকেই শুরু করেন বরই চাষ। প্রথম দিকে ছোট্ট পরিসরে হলেও এখন তার বাগানে জমির পরিমান আশি শতকের কাছাকাছি। তৌহিদ জানায় , জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত একটি বরই গাছ থেকে কমপক্ষে ২০ -৩০ কেজি ফলন পাওয়া যায়। প্রকার ভেদে প্রতি
কেজি বরই ৭০/ ৮০ টাকা পর্যন্তর্য বিক্রি করা হয়। সবকিছু মিলিয়ে আশি শতক জমিতে আবাদ করতে খরচ পড়েছে ৮ লক্ষাধিক টাকা। এ পর্যন্তর্য বিক্রি হয়েছে ১৩ লক্ষ টাকার মতো।

সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু

ফটিকছড়ি দাঁতমারায় বরই চাষ করে তৌহিদের ভাগ্য বদল

আপডেট: ০১:০৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : ফটিকছড়ি দাঁতমারার শিক্ষিত যুবক তৌহিদ বরই চাষ করে আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। পতিত জমিতে বরই চাষ এলাকায় বেশ সাড়া জাগিয়েছ। প্রতিদিন নানা বয়সী মানুষ ছুটে আসছেন বাগান দেখতে। অনেকেই বাগান দেখে বরই চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। বলতে গেলে তৌহিদের হাত ধরেই উপজেলায় উন্নত জাতের বরই চাষে বাজিমাৎ। পাশাপাশি তার বাগানে কাজ তরে কর্মসস্থান সৃষ্টি হয়েছে অন্তত দশ জন লোকের। জানাগেছে, উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ছোট কাঞ্চনা গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান তৌহিদুল। লেখাপড়া উচ্চ
মাধ্যমিক পর্যন্ত। শিক্ষার পাঠ শেষ না করে এনজিও সংস্থায় চাকুরী নিলেও স্বপ্ন দেখতেন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে কিছু একটা করার।
এক সময় চাকুরী ছেড়ে দিয়ে বাড়ির পাশে নিজেদের পতিত জমিতে চাষাবাদ করার চিন্তা থেকেই শুরু করেন বরই চাষ। প্রথম দিকে ছোট্ট পরিসরে হলেও এখন তার বাগানে জমির পরিমান আশি শতকের কাছাকাছি। তৌহিদ জানায় , জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত একটি বরই গাছ থেকে কমপক্ষে ২০ -৩০ কেজি ফলন পাওয়া যায়। প্রকার ভেদে প্রতি
কেজি বরই ৭০/ ৮০ টাকা পর্যন্তর্য বিক্রি করা হয়। সবকিছু মিলিয়ে আশি শতক জমিতে আবাদ করতে খরচ পড়েছে ৮ লক্ষাধিক টাকা। এ পর্যন্তর্য বিক্রি হয়েছে ১৩ লক্ষ টাকার মতো।