সূর্যোদয় ডেস্ক ● এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবার যেন বিপর্যয়ের চিত্র। কেন এ বিপর্যয়- তা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। বিগত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার নেমে এসেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জনই অকৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতার পাশাপাশি গণিত ও ইংরেজিতে ব্যাপক অকৃতকার্যতার প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক ফলে। ২০০৭ সালের পর এবারই পাসের হার এত নিচে নামায় শিক্ষা ব্যবস্থার মান, পাঠদান পদ্ধতি, মূল্যায়ন কাঠামো ও শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এবারের ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সাফল্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ, বিপরীতে ছাত্রদের ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও এগিয়ে ছাত্রীরা। বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে সর্বোচ্চ পাসের হার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে—৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। সাধারণ নয়টি বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে কম ময়মনসিংহে—৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। আর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার আরও কম—৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। ফলাফলের এই ধসের কারণ খুঁজতে গিয়ে সামনে এসেছে গণিত ও ইংরেজির দুর্বল ফল এবং মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যাপক ব্যর্থতা। অভিভাবক-শিক্ষার্থীদের ভাষ্যেও উঠে এসেছে একই চিত্র—বিশেষ করে গণিত ও ইংরেজিতে কাঙ্ক্ষিত নম্বর না পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:




















