০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়ি থানার ওসিকে জামায়াত নেতা রুবেলের হুমকি

  • আপডেট: ১২:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • 65

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর আহমেদকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে জামায়াতের সহযোগী সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এক নেতার বিরুদ্ধে। রোববার (২৯ জুন) দুপুরে ফেডারেশনের ফটিকছড়ি পৌরসভা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন রুবেল নেতাদের ধরা যাবে না বলে এমন হুমকি দেন। বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. সাইফুল ইসলাম সানতু। তিনি এ ব্যাপারে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি নূর আহমেদ। ঘটনার সত্যতা বলেন, আমাকে উদ্দেশ্য করে ওই নেতা বলেন কোনো অবস্থাতেই জামায়াত নেতাদের ধরা যাবে না। ওয়ারেন্ট থাকলেও না। ধরলে দেখে নেওয়া হবে বলে শাসানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা সদরের বিবিরহাট থেকে জামায়াতের অঙ্গসংগঠন ফটিকছড়ি পৌরসভা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. ইব্রাহিম খলিলকে ২০২৪ সালের একটি অর্থঋণ মামলায় আটক করে পুলিশ। আটকের পরপরই তাকে আদালতে পাঠানো হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন রুবেল ১০-১২ জনের একটি দল নিয়ে থানায় যান। এ সময় ওসি নিজ কার্যালয়ে ছিলেন। রুবেল তাদের নেতা ইব্রাহিম খলিলকে কেন আটক করা হয়েছে জানতে চান ওসির কাছে। এসময় উত্তেজিত হয়ে তিনি ওসিকে বলেন কোনো জামায়াতের নেতাদের ধরা যাবে না। বেশি বাড়াবাড়ি করলে দেখিয়ে নেওয়ার কথাও বলেন। উত্তরে ওসি বলেন, আপনি যা পারেন করেন। আমি ওয়ারেন্টমূলে তাকে আটক করেছি। ওয়ারেন্ট থাকলে আপনাকেও আটক করবো। আমি রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করি। বিষয়টি নিয়ে ওসির সাথে ওই নেতার বেশ কথা কাটাকাটি হয়। প্রত্যক্ষদর্শী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) বলেন, রুবেল নিজেকে জামায়াত নেতা পরিচয় দিয়ে ওসি স্যারের অবস্থান জানতে চান। পরে ওসিকে কার্যালয়ে পেয়ে ইব্রাহিমকে কেন আটক করা হয়েছে জানতে চান। কথাবার্তার পুরো সময়জুড়ে তাকে ওসি স্যারকে শাসাতে দেখা যায়। বিষয়টি বিব্রতকর। অভিযুক্ত ফেডারেশন নেতা মো. গিয়াস উদ্দিন রুবেল বলেন, ওসি সাহেবের সাথে আমার কোন ঝামেলা হয়নি। এরপর মিটিং শেষে পরে কথা বলবেন বলে তিনি ফোনের সংযোগ কেটে দেন। ফেডারেশনের ফটিকছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি গাজি মো. বেলাল বলেন, ‘মূল আসামি আটক না করে ওসির কাছে আমাদের নেতাদের আটকের কারণ জানতে চেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমরা এখন মিটিংয়ে। তার দোষ আছে কী না দেখে পরে জানানো হবে। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. সাইফুল ইসলাম সানতু বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টির বিস্তারিত জেনেছি।

রাজধানীর কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন

ফটিকছড়ি থানার ওসিকে জামায়াত নেতা রুবেলের হুমকি

আপডেট: ১২:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর আহমেদকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে জামায়াতের সহযোগী সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এক নেতার বিরুদ্ধে। রোববার (২৯ জুন) দুপুরে ফেডারেশনের ফটিকছড়ি পৌরসভা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন রুবেল নেতাদের ধরা যাবে না বলে এমন হুমকি দেন। বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. সাইফুল ইসলাম সানতু। তিনি এ ব্যাপারে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি নূর আহমেদ। ঘটনার সত্যতা বলেন, আমাকে উদ্দেশ্য করে ওই নেতা বলেন কোনো অবস্থাতেই জামায়াত নেতাদের ধরা যাবে না। ওয়ারেন্ট থাকলেও না। ধরলে দেখে নেওয়া হবে বলে শাসানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা সদরের বিবিরহাট থেকে জামায়াতের অঙ্গসংগঠন ফটিকছড়ি পৌরসভা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. ইব্রাহিম খলিলকে ২০২৪ সালের একটি অর্থঋণ মামলায় আটক করে পুলিশ। আটকের পরপরই তাকে আদালতে পাঠানো হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন রুবেল ১০-১২ জনের একটি দল নিয়ে থানায় যান। এ সময় ওসি নিজ কার্যালয়ে ছিলেন। রুবেল তাদের নেতা ইব্রাহিম খলিলকে কেন আটক করা হয়েছে জানতে চান ওসির কাছে। এসময় উত্তেজিত হয়ে তিনি ওসিকে বলেন কোনো জামায়াতের নেতাদের ধরা যাবে না। বেশি বাড়াবাড়ি করলে দেখিয়ে নেওয়ার কথাও বলেন। উত্তরে ওসি বলেন, আপনি যা পারেন করেন। আমি ওয়ারেন্টমূলে তাকে আটক করেছি। ওয়ারেন্ট থাকলে আপনাকেও আটক করবো। আমি রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করি। বিষয়টি নিয়ে ওসির সাথে ওই নেতার বেশ কথা কাটাকাটি হয়। প্রত্যক্ষদর্শী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) বলেন, রুবেল নিজেকে জামায়াত নেতা পরিচয় দিয়ে ওসি স্যারের অবস্থান জানতে চান। পরে ওসিকে কার্যালয়ে পেয়ে ইব্রাহিমকে কেন আটক করা হয়েছে জানতে চান। কথাবার্তার পুরো সময়জুড়ে তাকে ওসি স্যারকে শাসাতে দেখা যায়। বিষয়টি বিব্রতকর। অভিযুক্ত ফেডারেশন নেতা মো. গিয়াস উদ্দিন রুবেল বলেন, ওসি সাহেবের সাথে আমার কোন ঝামেলা হয়নি। এরপর মিটিং শেষে পরে কথা বলবেন বলে তিনি ফোনের সংযোগ কেটে দেন। ফেডারেশনের ফটিকছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি গাজি মো. বেলাল বলেন, ‘মূল আসামি আটক না করে ওসির কাছে আমাদের নেতাদের আটকের কারণ জানতে চেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমরা এখন মিটিংয়ে। তার দোষ আছে কী না দেখে পরে জানানো হবে। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. সাইফুল ইসলাম সানতু বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টির বিস্তারিত জেনেছি।