০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যমুনা সার কারখানায় চাঁদাবাজি নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মারামারি

  • আপডেট: ০১:২৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৪
  • 177

জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের সরিষাবাড়ীর তারাকান্দিতে অবস্থিত দেশের বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানায় চাঁদাবাজি নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে সাত জন আহত হয়েছেন। গতকাল ৩০ আগস্ট শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে কারখানার গেটে এ মারামারির ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী জানায়, বিদেশ ও ঘোড়াশাল সার কারখানা থেকে আমদানি করা সার যমুনা সার কারখানায় আনলোড ও লোডিং কাজে দখলদারত্ব ও চাঁদাবাজি নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার শাসনামল থেকে এ চাঁদাবাজি হয়ে আসছিল। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট থেকে সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ৩ নম্বর সদস্য চান মিয়া চানুর নির্দেশে লিটন মিয়ার নেতৃত্বে অঙ্কন ও উজ্জ্বলের মাধ্যমে গাড়িপ্রতি ৬৫০ টাকা হারে চাঁদাবাজি হয়ে আসছিল। তার প্রতিবাদে উপজেলা বিএনপির সদস্য বিশিষ্ট সার ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান তোতার নেতৃত্বে একদল বিএনপি কর্মী প্রতিবাদ করলে চাঁদাবাজ চক্র তাদের ওপর হামলা করে। এতে বজলু, খোকন, মুকুল, জুলহাস, মুসা, শাহিন ও ফারুক আহত হয়েছেন। জানা যায়, শ্রমিকদের বকশিশের নামে গাড়িপ্রতি ৬৫০ টাকা চাঁদা নিলেও সেটার ভাগ তারা পান না। এই টাকা অঙ্কন ও উজ্জ্বল বিএনপির দাপট দেখিয়ে আত্মসাৎ করে আসছে। প্রতিদিন গড়ে ১০০ গাড়ি আনলোড হচ্ছে। সে হিসেবে প্রতিদিন প্রায় ৬৫ হাজার টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে। এ ব্যাপারে যমুনা সার কারখানার প্রশাসন জি এম দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, চাঁদাবাজির বিষয়টি কারখানা কর্তৃপক্ষ অবগত নয়। এটি কারখানার বাইরের বিষয়।

সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু

যমুনা সার কারখানায় চাঁদাবাজি নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মারামারি

আপডেট: ০১:২৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৪

জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের সরিষাবাড়ীর তারাকান্দিতে অবস্থিত দেশের বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানায় চাঁদাবাজি নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে সাত জন আহত হয়েছেন। গতকাল ৩০ আগস্ট শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে কারখানার গেটে এ মারামারির ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী জানায়, বিদেশ ও ঘোড়াশাল সার কারখানা থেকে আমদানি করা সার যমুনা সার কারখানায় আনলোড ও লোডিং কাজে দখলদারত্ব ও চাঁদাবাজি নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার শাসনামল থেকে এ চাঁদাবাজি হয়ে আসছিল। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট থেকে সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ৩ নম্বর সদস্য চান মিয়া চানুর নির্দেশে লিটন মিয়ার নেতৃত্বে অঙ্কন ও উজ্জ্বলের মাধ্যমে গাড়িপ্রতি ৬৫০ টাকা হারে চাঁদাবাজি হয়ে আসছিল। তার প্রতিবাদে উপজেলা বিএনপির সদস্য বিশিষ্ট সার ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান তোতার নেতৃত্বে একদল বিএনপি কর্মী প্রতিবাদ করলে চাঁদাবাজ চক্র তাদের ওপর হামলা করে। এতে বজলু, খোকন, মুকুল, জুলহাস, মুসা, শাহিন ও ফারুক আহত হয়েছেন। জানা যায়, শ্রমিকদের বকশিশের নামে গাড়িপ্রতি ৬৫০ টাকা চাঁদা নিলেও সেটার ভাগ তারা পান না। এই টাকা অঙ্কন ও উজ্জ্বল বিএনপির দাপট দেখিয়ে আত্মসাৎ করে আসছে। প্রতিদিন গড়ে ১০০ গাড়ি আনলোড হচ্ছে। সে হিসেবে প্রতিদিন প্রায় ৬৫ হাজার টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে। এ ব্যাপারে যমুনা সার কারখানার প্রশাসন জি এম দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, চাঁদাবাজির বিষয়টি কারখানা কর্তৃপক্ষ অবগত নয়। এটি কারখানার বাইরের বিষয়।