০৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তাড়াশ চলনবিলে চলছে ধান সিদ্ধ শুকানো ও ভাঙ্গানোর কর্মযজ্ঞ

  • আপডেট: ০১:৫৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪
  • 197

শফিকুল ইসলাম তাড়াশ প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের তাড়াশ চলনবিল অঞ্চলে বোরো ধান কাটা প্রায় শেষের দিকে। কৃষান কৃষাণী অতি যত্নে ঘরে তুলেছেন সারা বছরের খোরাক। এখন সেই ধান রাত জেগে সিদ্ধ করে সকাল থেকে শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষাণীরা। রাত-দিন পরিশ্রমের পরেও কোন ক্লান্তি নেই তাদের। নিজেদের ক্ষেতের ধান সিদ্ধ-শুকনো করার আনন্দই অন্যরকম। সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা যায় পুরো মাঠে ধান শুকানোর জন্য বাড়ি থেকে সিদ্ধ ধান বস্তায় করে ভ্যান অথবা বাইসাইকেলে করে এনে মাঠে বিছানো নেটজালের উপর ঢালছেন। আর কৃষাণীরা সে ধান পা দিয়ে নেটজালে আলগা করে দিচ্ছেন। তপ্ত রোদে সোনালী ধানে পা দিচ্ছেন কৃষাণীরা। যত বেশি ধানে পা দিবেন, ততই তাড়াতাড়ি শুকাবে ধান। মৌসুমের খাবার চাল ঘরে তোলার আগ্রহে কৃষাণীদের কাজ দেখে মনে হয় কোনো ক্লান্তি নেই তাদের। স্থানীয় কৃষাণ কৃষাণীরা জানান, ধান কাটা, ঝাড়া হয়ে গেছে। খাওয়ার ধান রেখে বাকি ধান বিক্রিও হয়ে গেছে। ছয় মাসের জন্য ঘরের চাল তৈরি করতে হবে। তাই ভোররাতে ধান সিদ্ধ করেছি তাই এখন মাঠে শুকাচ্ছি। এখন আমরা ধান সিদ্ধ করছি খাওয়ার চাল তৈরির জন্য। সকালে বস্তায় করে সিদ্ধ ধান স্কুল মাঠে নিয়ে আসি শুকানোর জন্য। মাঠে নেট বিছিয়ে শুকাতে দিছি। আকাশের অবস্থা ভালো আছে, সারাদিনে সব ধান শুকিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। শুকানোর পরে মিলে ধান ভাঙাবো, আগামী ইরি-বোরো মৌসুম পর্যন্ত আমাদের খাওয়ার চালের জন্য আর কোন চিন্তা থাকবে না।

সর্বাধিক পঠিত

নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

তাড়াশ চলনবিলে চলছে ধান সিদ্ধ শুকানো ও ভাঙ্গানোর কর্মযজ্ঞ

আপডেট: ০১:৫৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

শফিকুল ইসলাম তাড়াশ প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের তাড়াশ চলনবিল অঞ্চলে বোরো ধান কাটা প্রায় শেষের দিকে। কৃষান কৃষাণী অতি যত্নে ঘরে তুলেছেন সারা বছরের খোরাক। এখন সেই ধান রাত জেগে সিদ্ধ করে সকাল থেকে শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষাণীরা। রাত-দিন পরিশ্রমের পরেও কোন ক্লান্তি নেই তাদের। নিজেদের ক্ষেতের ধান সিদ্ধ-শুকনো করার আনন্দই অন্যরকম। সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা যায় পুরো মাঠে ধান শুকানোর জন্য বাড়ি থেকে সিদ্ধ ধান বস্তায় করে ভ্যান অথবা বাইসাইকেলে করে এনে মাঠে বিছানো নেটজালের উপর ঢালছেন। আর কৃষাণীরা সে ধান পা দিয়ে নেটজালে আলগা করে দিচ্ছেন। তপ্ত রোদে সোনালী ধানে পা দিচ্ছেন কৃষাণীরা। যত বেশি ধানে পা দিবেন, ততই তাড়াতাড়ি শুকাবে ধান। মৌসুমের খাবার চাল ঘরে তোলার আগ্রহে কৃষাণীদের কাজ দেখে মনে হয় কোনো ক্লান্তি নেই তাদের। স্থানীয় কৃষাণ কৃষাণীরা জানান, ধান কাটা, ঝাড়া হয়ে গেছে। খাওয়ার ধান রেখে বাকি ধান বিক্রিও হয়ে গেছে। ছয় মাসের জন্য ঘরের চাল তৈরি করতে হবে। তাই ভোররাতে ধান সিদ্ধ করেছি তাই এখন মাঠে শুকাচ্ছি। এখন আমরা ধান সিদ্ধ করছি খাওয়ার চাল তৈরির জন্য। সকালে বস্তায় করে সিদ্ধ ধান স্কুল মাঠে নিয়ে আসি শুকানোর জন্য। মাঠে নেট বিছিয়ে শুকাতে দিছি। আকাশের অবস্থা ভালো আছে, সারাদিনে সব ধান শুকিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। শুকানোর পরে মিলে ধান ভাঙাবো, আগামী ইরি-বোরো মৌসুম পর্যন্ত আমাদের খাওয়ার চালের জন্য আর কোন চিন্তা থাকবে না।