০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ, শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে বাঙালি জাতি

  • আপডেট: ০৬:৪৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪
  • 150

সাভার প্রতিনিধি: আগামীকাল ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন বাংলার আকাশে পতপত করে উড়ছে লাল সবুজের পতাকা, তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে বাঙালি জাতি। তাই তো প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে প্রস্তুত করা হয়েছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ। গণপূর্ত বিভাগের কর্মীরা গর্বের সঙ্গে জাতির গৌরব আর অহংকারের প্রতীক স্মৃতিসৌধের প্রতিটি স্থান পরিষ্কার করে লাল-সবুজ আর বাহারি ফুলে সাজিয়ে তুলেছেন পরম যত্নে। এছাড়া রং-তুলির আঁচড়ে রঙিন করে তোলা হয়েছে সৌধ প্রাঙ্গণ।

সাভারের নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে দেখা যায়, ১০৮ একর জায়গাজুড়ে জোরদার করা হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে স্মৃতিসৌধের বিভিন্ন স্থান। জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটকের দুই পাশে শোভা পাচ্ছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিশালাকার ছবি। লাল সবুজ ফুলে সুশোভিত করে তোলা হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এছাড়া রং তুলির আঁচড়ে যেন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে স্বাধীনতার প্রতিচ্ছবি।

গণপূর্ত বিভাগের দেওয়া তথ্যমতে, দিবসটির প্রথম প্রহরে বীর শহীদদের স্মরণে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। সেই লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। গত ১২ মার্চ থেকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পুরো সৌধ এলাকা ধুয়েমুছে চকচকে করে তুলেছেন। মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর শ্রদ্ধা জানাবেন দেশের আপামর জনতা। ইতোমধ্যেই শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধের সব ধরনের কাজ প্রায় শেষ করেছে গণপূর্ত বিভাগ। লাগানো হয়েছে লাল-সবুজ কয়েক লাখ বাতি। এছাড়া কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার চাদরে মোড়ানো হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সারা দিন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাঙালি জাতি।

প্রধানমন্ত্রীর চাঁদপুর সফর, পথে পথে জনতার ঢল

প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ, শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে বাঙালি জাতি

আপডেট: ০৬:৪৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

সাভার প্রতিনিধি: আগামীকাল ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন বাংলার আকাশে পতপত করে উড়ছে লাল সবুজের পতাকা, তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে বাঙালি জাতি। তাই তো প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে প্রস্তুত করা হয়েছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ। গণপূর্ত বিভাগের কর্মীরা গর্বের সঙ্গে জাতির গৌরব আর অহংকারের প্রতীক স্মৃতিসৌধের প্রতিটি স্থান পরিষ্কার করে লাল-সবুজ আর বাহারি ফুলে সাজিয়ে তুলেছেন পরম যত্নে। এছাড়া রং-তুলির আঁচড়ে রঙিন করে তোলা হয়েছে সৌধ প্রাঙ্গণ।

সাভারের নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে দেখা যায়, ১০৮ একর জায়গাজুড়ে জোরদার করা হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে স্মৃতিসৌধের বিভিন্ন স্থান। জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটকের দুই পাশে শোভা পাচ্ছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিশালাকার ছবি। লাল সবুজ ফুলে সুশোভিত করে তোলা হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এছাড়া রং তুলির আঁচড়ে যেন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে স্বাধীনতার প্রতিচ্ছবি।

গণপূর্ত বিভাগের দেওয়া তথ্যমতে, দিবসটির প্রথম প্রহরে বীর শহীদদের স্মরণে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। সেই লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। গত ১২ মার্চ থেকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পুরো সৌধ এলাকা ধুয়েমুছে চকচকে করে তুলেছেন। মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর শ্রদ্ধা জানাবেন দেশের আপামর জনতা। ইতোমধ্যেই শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধের সব ধরনের কাজ প্রায় শেষ করেছে গণপূর্ত বিভাগ। লাগানো হয়েছে লাল-সবুজ কয়েক লাখ বাতি। এছাড়া কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার চাদরে মোড়ানো হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সারা দিন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাঙালি জাতি।