০২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওমানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের আদলে ভুয়া ওয়েবসাইট

মামুন আহমেদ শরীফ তালুকদার, ওমান থেকেঃ ওমানে একটি নামিদামী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের মতো আরেকটি ভুয়া ওয়েবসাইট বানিয়ে অর্থ লুট এবং প্রতারণার অভিযোগে ৫ প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হুবহু ব্যাংকিং ঘরানার ওয়েবসাইট বানিয়ে গ্রাহকদের থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। বিষয়টি সম্প্রতি রয়্যাল ওমান পুলিশের গোয়েন্দা শাখার নজরে আসলে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়। এর দুই সপ্তাহ আগেও ওমানে ব্যাংকিং স্ক্যামের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চার প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা ব্যাংক কর্মকর্তা পরিচয়ে গ্রাহকদের কাছে ফোন দিয়ে অ্যাকাউন্টের তথ্য আপডেটের নাম করে অর্থ লোপাট করতেন। ওমানে ক্রমেই ইলেক্ট্রনিক প্রতারণা জালের মত ছড়িয়ে পড়ছে। ইতোমধ্যে বহু মানুষ ভয়াবহ এই প্রতারণার স্বীকার হয়েছেন। না ভেবে তথ্য দিয়ে ওমানের প্রবাসীরা খুইয়েছেন লাখ লাখ টাকা। জানা গেছে, সাইবার অপরাধীর নিশানা মূলত বয়স্ক, অসচেতন ব্যাংক গ্রাহকের দিকে। পুলিশ বলেছে, ব্যাংকের কোনো তথ্য ফোনে না জানানোর জন্য প্রচার করা হলেও এক শ্রেণির মানুষ প্রায়ই ভুল করে ফেলছেন। ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতারকরা ইন্টারনেটে সক্রিয় হচ্ছে। আগে থেকেই কৌশলে জমা করা ব্যক্তির প্রাথমিক তথ্য জানালে গ্রাহকও বিশ্বাস করে ওটিপি দিয়ে দিচ্ছেন। তবে এখন থেকে এমন ঘটনায় মোবাইলে আসা ওটিপি বা অন্য কোনো গোপন তথ্য শেয়ার না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

৫৮ হাজার ৩৪৭ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন

ওমানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের আদলে ভুয়া ওয়েবসাইট

আপডেট: ০৯:১০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

মামুন আহমেদ শরীফ তালুকদার, ওমান থেকেঃ ওমানে একটি নামিদামী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের মতো আরেকটি ভুয়া ওয়েবসাইট বানিয়ে অর্থ লুট এবং প্রতারণার অভিযোগে ৫ প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হুবহু ব্যাংকিং ঘরানার ওয়েবসাইট বানিয়ে গ্রাহকদের থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। বিষয়টি সম্প্রতি রয়্যাল ওমান পুলিশের গোয়েন্দা শাখার নজরে আসলে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়। এর দুই সপ্তাহ আগেও ওমানে ব্যাংকিং স্ক্যামের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চার প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা ব্যাংক কর্মকর্তা পরিচয়ে গ্রাহকদের কাছে ফোন দিয়ে অ্যাকাউন্টের তথ্য আপডেটের নাম করে অর্থ লোপাট করতেন। ওমানে ক্রমেই ইলেক্ট্রনিক প্রতারণা জালের মত ছড়িয়ে পড়ছে। ইতোমধ্যে বহু মানুষ ভয়াবহ এই প্রতারণার স্বীকার হয়েছেন। না ভেবে তথ্য দিয়ে ওমানের প্রবাসীরা খুইয়েছেন লাখ লাখ টাকা। জানা গেছে, সাইবার অপরাধীর নিশানা মূলত বয়স্ক, অসচেতন ব্যাংক গ্রাহকের দিকে। পুলিশ বলেছে, ব্যাংকের কোনো তথ্য ফোনে না জানানোর জন্য প্রচার করা হলেও এক শ্রেণির মানুষ প্রায়ই ভুল করে ফেলছেন। ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতারকরা ইন্টারনেটে সক্রিয় হচ্ছে। আগে থেকেই কৌশলে জমা করা ব্যক্তির প্রাথমিক তথ্য জানালে গ্রাহকও বিশ্বাস করে ওটিপি দিয়ে দিচ্ছেন। তবে এখন থেকে এমন ঘটনায় মোবাইলে আসা ওটিপি বা অন্য কোনো গোপন তথ্য শেয়ার না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।