সূর্যোদয় প্রতিবেদক: লক্ষীপুর জেলার ১৫ নং লাহারকান্দি ইউনিয়নের সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ সোহাগ বাহিনীর অত্যাচারে নাকাল হয়ে পড়েছে এলাকার প্রবাসীর পরিবার, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ।
১৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার লক্ষীপুর জেলার ১৫ নং লাহারকান্দি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের খাজুরতলী গ্রামের আব্দুস শহিদের পুত্র সোহাগ হোসেনসহ ৩ জন চাঁদাবাজের নামে লক্ষীপুরের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল আমলি আদালতে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের হয়েছে।
জানা গেছে, মামলার বাদীর কাছ ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে সন্ত্রাসী সোহাগ। স্থানীয়রা জানান, এক সময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহাগ এলাকায় চাঁদাবাজি জমি দখল,পাওনা টাকা আদায় করার কাজে ভাড়াটিয়া হিসেবে কাজ করতো। এর মাধ্যমে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরী করে সে। সোহাগ বাহিনীর সদস্যরা হলো এলাকার বিএনপির ক্যাডার ও, মাদক ব্যবসায়ীসহ বেশ কজন উঠতি বয়সের যুবক। সে সময়ে চাঁদাবাজি জমি দখল বাণিজ্যে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকাবাসী সোহাগকে গ্রামছাড়া করলে সে কিছু দিন গা ঢাকা দিয়ে সৌদি আরবে চলে যায়। সম্পতি দেশে এসে পুনরায় পূর্বের সন্ত্রাসী বাহিনীকে সংঘঠিত করে এলাকায় চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। সোহাগ বাহিনীর চাহিদা মোতাবেক চাঁদা দিতে কেউ অস্বীকার করলে তার উপর হামলা চালায় ওই বাহিনীর সদস্যরা। দুর্ধর্ষ এই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু সোহাগ বাহিনীর হাতে জিম্মি ইউনিয়নের শত শত পরিবার।
জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবেও সে প্রবাসীদের বিভিন্ন চাকুরি দিবেন বলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে দেশে চলে আসে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, লক্ষীপুরে প্রবাস থেকে এসে সোহাগ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, দখল ও মাদকের কারবারসহ নানা অপরাধের নিয়ন্ত্রণ করছে। এই বাহিনীর অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও বেপরোয়া তারা। এই বাহিনীর বিরুদ্ধে কথা বললেই এলাকার বাসিন্দাদের বাড়ে বিপদ। যে কারণে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না ভুক্তভোগীরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ১৫ নং লাহারকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যেই জমি দখল ও চাঁদাবাজি চলছে। কেউ এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না।
সোহাগ বাহিনীর সন্ত্রাসীরা কখন যে কার কাছে চাঁদা দাবি করে এ আতঙ্কে থাকেন ইউনিয়নের বাসিন্দারা।




















