মোঃ বিলাল উদ্দিন, কুয়েত ব্যুরো প্রধান: কুয়েতের সৌদি সীমান্ত বর্তী আল খাইরান এলাকায় গত ৩০ জানুয়ারি রাতে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় নিহত মোঃ আওলাদ মিয়া (৫৫) নামের বাংলাদেশী নিহত হন। জানা গেছে, মোটর সাইকেলের ডিজেল আনতে পেট্রোল পাম্পে যাওয়ার সময় দ্রুত গামী একটি গাড়ি পিছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনা স্হলে আওলাদের মৃত্যু হয়। পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় স্হানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত্যু ঘোষণা করে। নিহতের লাশ হাসপাতাল মর্গে ৬ দিন তাকার পর আওলাদের লাশ তার মালিক সকল আইনী প্রক্রিয়া শেষে সহপাঠী এলাকার বন্ধু রহতম আলী, সোহেল মিয়া,জাবের আহমেদের কাছে নিহতের লাশ ও এয়ার টিকেট সহ বুঝিয়ে দেয়।
আজ ৫ জানুয়ারি নিহতের প্রথম জানাজার নামাজ কুয়েত সোবহানস্হ হিমঘরে অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, নিহতের নিকট আত্মীয় রহমত আলী ও সহপাঠী সোহেল মিয়া টেলিফোনে আমাদের এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে আজ ৫ ফেব্রুয়ারি রাত ৮ টায় কুয়েত থেকে ঢাকা শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে।আগামী কাল ৬ ফেব্রুয়ারি ভোরে ঢাকায় পৌঁছিবে। সেখানে নিহতের স্বজনরা লাশ গ্রহণ করবেন। সেখান থেকে সড়ক পথে নিহতের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার জোড়াপুর (সুপ্রাকান্দি)গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। নিহত আওলাদ মিয়া জোড়াপুর সুপ্রাকান্দি গ্রামের মৃত্যু আলী বক্সের বড় ছেলে ছিলেন। সে দীর্ঘ দিন যাবত কুয়েতে একটি মালিকের অধীনে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। নিহত আওলাদ মিয়া স্বল্প কালীন ছুটি কাটিয়ে ৬ মাস হয় কুয়েতে আসার।
আওলাদের পরিবারের আহাজারি আকুতি ছিলো লাশ এ নজর দেখার। এ জন্য তড়িঘড়ি করে লাশ দেশে পাঠানোর ব্যবস্তা করা হয়েছে বলে তার নিকট আত্মীয় রহমত আলী জানিয়েছেন।
মোঃ বিলাল উদ্দিন, কুয়েত ব্যুরো 









