১০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তরায় পুলিশ-র‌্যাবের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে নিহত ৪

  • আপডেট: ০৪:৫২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪
  • 198

সূর্যোদয় ডেস্ক: কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা উত্তরা-আজমপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে শিক্ষার্থী-পথচারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে হাসপাতালটিতে আহত হয়ে আরও শতাধিক ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে এসেছেন। আজ ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট মিজানুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করে তিনি বলেন, আহত হয়ে প্রায় অর্ধশত মানুষ আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাদের মধ্যে চারজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। এদিকে উত্তরা-আজমপুর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, সংঘর্ষে নিহত এক শিক্ষার্থীকে সোয়া ১২টার দিকে আমাদের হাসপাতালে আনা হয়। সে কোন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী তা বলতে পারব না। তিনি জানান, শতাধিক ছাত্র আহত অবস্থায় হাসপাতালে আসেন। তাদের অনেককেই চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আহতদের সংখ্যা এত বেশি যে হাসপাতালে স্থান দিতে সমস্যা হচ্ছে। এদিকে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ৪০০ জনের বেশি আন্দোলনকারী আহত হয়ে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে একজন মারা গেছেন। তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আহতদের মধ্যে ১০ থেকে ১২ জন চোখে আঘাত পেয়েছেন। তাদের বাংলাদেশ আই হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জানা যায়, রাজধানীর উত্তরায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও র‌্যাবের সংঘর্ষ শুরু হয় বেলা ১১টার পর থেকে। বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা উত্তরার জমজম টাওয়ারের সামনে জড়ো হয়ে মিছিল নিয়ে মূল সড়কে উঠতে চাইলে পুলিশ ও র‌্যাব তাদের সরিয়ে দিয়ে চায়। এরপরই সংঘর্ষ বাঁধে।

সর্বাধিক পঠিত

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১৬৪

উত্তরায় পুলিশ-র‌্যাবের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে নিহত ৪

আপডেট: ০৪:৫২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪

সূর্যোদয় ডেস্ক: কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা উত্তরা-আজমপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে শিক্ষার্থী-পথচারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে হাসপাতালটিতে আহত হয়ে আরও শতাধিক ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে এসেছেন। আজ ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট মিজানুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করে তিনি বলেন, আহত হয়ে প্রায় অর্ধশত মানুষ আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাদের মধ্যে চারজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। এদিকে উত্তরা-আজমপুর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, সংঘর্ষে নিহত এক শিক্ষার্থীকে সোয়া ১২টার দিকে আমাদের হাসপাতালে আনা হয়। সে কোন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী তা বলতে পারব না। তিনি জানান, শতাধিক ছাত্র আহত অবস্থায় হাসপাতালে আসেন। তাদের অনেককেই চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আহতদের সংখ্যা এত বেশি যে হাসপাতালে স্থান দিতে সমস্যা হচ্ছে। এদিকে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ৪০০ জনের বেশি আন্দোলনকারী আহত হয়ে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে একজন মারা গেছেন। তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আহতদের মধ্যে ১০ থেকে ১২ জন চোখে আঘাত পেয়েছেন। তাদের বাংলাদেশ আই হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জানা যায়, রাজধানীর উত্তরায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও র‌্যাবের সংঘর্ষ শুরু হয় বেলা ১১টার পর থেকে। বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা উত্তরার জমজম টাওয়ারের সামনে জড়ো হয়ে মিছিল নিয়ে মূল সড়কে উঠতে চাইলে পুলিশ ও র‌্যাব তাদের সরিয়ে দিয়ে চায়। এরপরই সংঘর্ষ বাঁধে।