Dhaka ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নীলফামারী-১ আসনে প্রার্থীকে হত্যার হুমকি

মোঃ শরিফ বিল্লাহ, ডোমার (নীলফামারী) থেকে: আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের(বিএনএম) প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য জাফর ইকবাল সিদ্দিকীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার কর্মীকে মারধর করা হয়েছে। গত ১৬ ডিসেম্বর শনিবার ডোমার পৌর শহরে ছোটরাউতার নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন জাফর ইকবাল সিদ্দিকী ।

তার অভিযোগ ডিমলা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ফেরদৌস পারভেজ তার কর্মীকে মারধরসহ এ হুমকি দিয়েছেন। ফেরদৌস পারভেজ আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-১ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী, বর্তমান সাংসদ আফতাব উদ্দীন সরকারের ভাতিজা। প্রেস ব্রিফিংয়ে জাফর ইকবাল সিদ্দিকী বলেন “মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার সকাল ১১টার দিকে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আমি ডিমলা বিজয় চত্বরে শহীদদের প্রতি পুস্পস্তবক অর্পণ করি। সেখান থেকে বাসায় ফেরার পথে আমাকে ও আমার কর্মী সমর্থকদেরকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি ও নানাধরনের ভয়ভীতি দেখায় ফেরদৌস পারভেজ। এক পর্যায়ে আমার এক কর্মীকে চর থাপ্পর মারেন। এরপর প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলেন, আমরা যদি এ বিষয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করি তাহলে আমাকে ও আমার কর্মীদেরকে প্রাণে মেরে ফেলবে। আমার কর্মীকে মারা মানে আমাকে মারা। তার হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। তিনি জানান, উক্ত ঘটনার পর আমি ওখান থেকে চলে আসি। পরবর্তীতে ডিমলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করি।
জাফর ইকবাল সিদ্দিকী আরও জানান, জিডি করার পর পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তার বিরুদ্ধে যদি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে আমি নির্বাচনে যাব। আর না নিলে আমি নির্বাচনে যাব না। আমি পুলিশকে বলে এসেছি- যদি আপনারা কোনো ব্যবস্থা না নেন, তাহলে দেশের সবচেয়ে বড় গাদ্দার আপনারা হবেন। কারণ আপনাদের ডিউটি এটা দেশকে বাঁচানো। শেখ হাসিনা দেশটাকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আপনারা যদি কোন ব্যবস্থা না নেন, তাহলে ধরে নেবো শেখ হাসিনাকে যারা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, তাদেরকে আপনারা সহযোগিতা করছেন।অভিযোগের ব্যাপারে ডিমলা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ফেরদৌস পারভেজ বলেন, যে অভিযোগ তুলেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। মাঠে তার তো ভোট নেই তাই এমন অভিযোগ তুলেছে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আফতাব উদ্দীন সরকার বলেন, তারা তো অভিযোগ করবেই। অভিযোগ করার জন্য নির্বাচনে এসেছে তারা। তাদের শুধু এই একটাই কাজ- অভিযোগ করা। আরএরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। ডিমলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাশীষ রায় বলেন, এ বিষওেই প্রার্থী সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন। জিডির যেটা প্রসিডিউর, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

https://dainiksurjodoy.com/wp-content/uploads/2023/12/Green-White-Modern-Pastel-Travel-Agency-Discount-Video5-2.gif

দেশের সব স্কুল-কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

নীলফামারী-১ আসনে প্রার্থীকে হত্যার হুমকি

Update Time : ১১:৪১:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩

মোঃ শরিফ বিল্লাহ, ডোমার (নীলফামারী) থেকে: আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের(বিএনএম) প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য জাফর ইকবাল সিদ্দিকীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার কর্মীকে মারধর করা হয়েছে। গত ১৬ ডিসেম্বর শনিবার ডোমার পৌর শহরে ছোটরাউতার নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন জাফর ইকবাল সিদ্দিকী ।

তার অভিযোগ ডিমলা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ফেরদৌস পারভেজ তার কর্মীকে মারধরসহ এ হুমকি দিয়েছেন। ফেরদৌস পারভেজ আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-১ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী, বর্তমান সাংসদ আফতাব উদ্দীন সরকারের ভাতিজা। প্রেস ব্রিফিংয়ে জাফর ইকবাল সিদ্দিকী বলেন “মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার সকাল ১১টার দিকে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আমি ডিমলা বিজয় চত্বরে শহীদদের প্রতি পুস্পস্তবক অর্পণ করি। সেখান থেকে বাসায় ফেরার পথে আমাকে ও আমার কর্মী সমর্থকদেরকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি ও নানাধরনের ভয়ভীতি দেখায় ফেরদৌস পারভেজ। এক পর্যায়ে আমার এক কর্মীকে চর থাপ্পর মারেন। এরপর প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলেন, আমরা যদি এ বিষয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করি তাহলে আমাকে ও আমার কর্মীদেরকে প্রাণে মেরে ফেলবে। আমার কর্মীকে মারা মানে আমাকে মারা। তার হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। তিনি জানান, উক্ত ঘটনার পর আমি ওখান থেকে চলে আসি। পরবর্তীতে ডিমলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করি।
জাফর ইকবাল সিদ্দিকী আরও জানান, জিডি করার পর পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তার বিরুদ্ধে যদি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে আমি নির্বাচনে যাব। আর না নিলে আমি নির্বাচনে যাব না। আমি পুলিশকে বলে এসেছি- যদি আপনারা কোনো ব্যবস্থা না নেন, তাহলে দেশের সবচেয়ে বড় গাদ্দার আপনারা হবেন। কারণ আপনাদের ডিউটি এটা দেশকে বাঁচানো। শেখ হাসিনা দেশটাকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আপনারা যদি কোন ব্যবস্থা না নেন, তাহলে ধরে নেবো শেখ হাসিনাকে যারা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, তাদেরকে আপনারা সহযোগিতা করছেন।অভিযোগের ব্যাপারে ডিমলা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ফেরদৌস পারভেজ বলেন, যে অভিযোগ তুলেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। মাঠে তার তো ভোট নেই তাই এমন অভিযোগ তুলেছে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আফতাব উদ্দীন সরকার বলেন, তারা তো অভিযোগ করবেই। অভিযোগ করার জন্য নির্বাচনে এসেছে তারা। তাদের শুধু এই একটাই কাজ- অভিযোগ করা। আরএরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। ডিমলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাশীষ রায় বলেন, এ বিষওেই প্রার্থী সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন। জিডির যেটা প্রসিডিউর, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।