Dhaka ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সাবেক দুদক কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় চান্দগাঁও থানার ওসির বিরুদ্ধে মামলা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩
  • 14

প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানা পুলিশের হেফাজতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অবসরপ্রাপ্ত উপপরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর (৬৪) মৃত্যুর ঘটনায় আদালতে মামলা হয়েছে। মামলায় চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খাইরুল ইসলামসহ ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে ১৬ অক্টোবর সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ বেগম জেবুননেছার আদালতে এ মামলা করা হয়।

সৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর স্ত্রী ফেজিয়া আনোয়ার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবি আই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মামলাটি থানায় রেকর্ড করারও নির্দেশ দেন আদালত। মামলার বাকি ৮ আসামি হলেন-চান্দগাঁও থানার এএসআই মো. ইউসুফ, এএসআই সোহেল রানা, পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মবিনুল হক, চান্দগাঁও থানা এলাকার বাসিন্দা এসএম আসাদুজ্জামান, মো. জসীম উদ্দিন, মো. লিটন, রনি আক্তার তানিয়া ও কলি আক্তার। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে চান্দগাঁও থানার ওসি, পরিদর্শক (তদন্ত), এএসআইসহ ৯ জনকে আসামি করে মামলার আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি শেষে মামলাটি থানায় রেকর্ড করার জন্য নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবি আই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১৮ সালে দুদকের উপপরিচালক পদ থেকে অবসর নেন সৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। তিনি নগরীর চান্দগাঁও থানা এলাকায় বসবাস করতেন। সেখানে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তার জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এর জের ধরে গত ২৯ আগস্ট শহীদুল্লাহ ও তার শ্যালক মোহাম্মদ কায়সার আনোয়ারের বিরুদ্ধে মামলা করেন রনি আক্তার তানিয়া নামে এক নারী। আদালত মামলার শুনানি শেষে ওই দিন তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। ওই সমন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী হারুন অর রশীদ গায়েব করে ফেলেন। ফলে আসামিরা আদালতে হাজির হওয়ার সমন পাননি। মামলার পরবর্তী তারিখে আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গত ৩ অক্টোবর রাতে শহীদুল্লাহকে বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। থানায় নেওয়ার পর আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে শহীদুল্লাহকে নির্যাতন করেন। নির্যাতনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যু হয়।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

https://dainiksurjodoy.com/wp-content/uploads/2023/12/Green-White-Modern-Pastel-Travel-Agency-Discount-Video5-2.gif

সংঘর্ষে রণক্ষেত্র যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে শনিরআখড়া

সাবেক দুদক কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় চান্দগাঁও থানার ওসির বিরুদ্ধে মামলা

Update Time : ০১:০০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩

প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানা পুলিশের হেফাজতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অবসরপ্রাপ্ত উপপরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর (৬৪) মৃত্যুর ঘটনায় আদালতে মামলা হয়েছে। মামলায় চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খাইরুল ইসলামসহ ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে ১৬ অক্টোবর সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ বেগম জেবুননেছার আদালতে এ মামলা করা হয়।

সৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর স্ত্রী ফেজিয়া আনোয়ার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবি আই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মামলাটি থানায় রেকর্ড করারও নির্দেশ দেন আদালত। মামলার বাকি ৮ আসামি হলেন-চান্দগাঁও থানার এএসআই মো. ইউসুফ, এএসআই সোহেল রানা, পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মবিনুল হক, চান্দগাঁও থানা এলাকার বাসিন্দা এসএম আসাদুজ্জামান, মো. জসীম উদ্দিন, মো. লিটন, রনি আক্তার তানিয়া ও কলি আক্তার। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে চান্দগাঁও থানার ওসি, পরিদর্শক (তদন্ত), এএসআইসহ ৯ জনকে আসামি করে মামলার আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি শেষে মামলাটি থানায় রেকর্ড করার জন্য নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবি আই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১৮ সালে দুদকের উপপরিচালক পদ থেকে অবসর নেন সৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। তিনি নগরীর চান্দগাঁও থানা এলাকায় বসবাস করতেন। সেখানে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তার জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এর জের ধরে গত ২৯ আগস্ট শহীদুল্লাহ ও তার শ্যালক মোহাম্মদ কায়সার আনোয়ারের বিরুদ্ধে মামলা করেন রনি আক্তার তানিয়া নামে এক নারী। আদালত মামলার শুনানি শেষে ওই দিন তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। ওই সমন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী হারুন অর রশীদ গায়েব করে ফেলেন। ফলে আসামিরা আদালতে হাজির হওয়ার সমন পাননি। মামলার পরবর্তী তারিখে আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গত ৩ অক্টোবর রাতে শহীদুল্লাহকে বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। থানায় নেওয়ার পর আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে শহীদুল্লাহকে নির্যাতন করেন। নির্যাতনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যু হয়।