Dhaka ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে কারাবন্দীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে: মঞ্জুর হোসেন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৮:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুন ২০২৩
  • 7

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র জেল সুপার মুহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা বন্দিরা আজ ঈদের দিন ২৯ জুন বৃহস্পতিবার সকালে নামাজ আদায় করেছেন। কোলাকুলি করে একে অপরের সঙ্গে করেছেন শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। এসব বন্দীরা কেউ সাজা ভোগ করছেন বছরের পর বছর ধরে। কেউ আটক বিচারাধীন মামলায়।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে কারাবন্দীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বজনরা রান্না করা খাবার নিয়ে আসার সুযোগও পাচ্ছেন।

সিনিয়র জেল সুপার মুহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন দৈনিক সূর্যোদয়কে জানান, ঈদের দিন সকালে ওয়ার্ডভিত্তিক ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। কারাগারের যমুনা, কর্ণফুলী, পদ্মা, মেঘনা, সাঙ্গু ও হালদা ভবনে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে নামাজ আদায় করেন তারা। নামাজ আদায় শেষে বন্দীদের সেমাই, পায়েস ও মুড়ি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও হাজতি সহ পাঁচ হাজারের বেশি বন্দী রয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র জেল সুপার মুহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন আরো জানান, ঈদ উপলক্ষে কারাগারে দুপুরে পোলাও, গরুর মাংস, কোমল পানীয় ও পান-সুপারি দেওয়া হবে। অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য দেওয়া হবে খাসির মাংস। এছাড়া বিকেল পাঁচটায় তালাবদ্ধ করার আগে দেওয়া হয় রাতের খাবার।

এই ম্যানুতে থাকবে সাদাভাত, মাংস ও আলুর দম। ৩২ জন কয়েদি ৬০টি চুলায় রান্নার দায়িত্বে রয়েছে।

জানা গেছে, আজ ঈদুল আযহার খুশির দিনে স্বজনদের দেখার জন্য সাক্ষাত কক্ষে ছুটে এসেছেন বন্দীদের আত্বীয় স্বজনরা। সাক্ষাতের পাশাপাশি কারাগারের ভেতর থেকে অনেক বন্দী টেলিফোনে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে তিনি।

Tag :

চট্টগ্রামে কারাবন্দীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে: মঞ্জুর হোসেন

Update Time : ১২:৩৮:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুন ২০২৩

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র জেল সুপার মুহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা বন্দিরা আজ ঈদের দিন ২৯ জুন বৃহস্পতিবার সকালে নামাজ আদায় করেছেন। কোলাকুলি করে একে অপরের সঙ্গে করেছেন শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। এসব বন্দীরা কেউ সাজা ভোগ করছেন বছরের পর বছর ধরে। কেউ আটক বিচারাধীন মামলায়।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে কারাবন্দীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বজনরা রান্না করা খাবার নিয়ে আসার সুযোগও পাচ্ছেন।

সিনিয়র জেল সুপার মুহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন দৈনিক সূর্যোদয়কে জানান, ঈদের দিন সকালে ওয়ার্ডভিত্তিক ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। কারাগারের যমুনা, কর্ণফুলী, পদ্মা, মেঘনা, সাঙ্গু ও হালদা ভবনে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে নামাজ আদায় করেন তারা। নামাজ আদায় শেষে বন্দীদের সেমাই, পায়েস ও মুড়ি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও হাজতি সহ পাঁচ হাজারের বেশি বন্দী রয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র জেল সুপার মুহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন আরো জানান, ঈদ উপলক্ষে কারাগারে দুপুরে পোলাও, গরুর মাংস, কোমল পানীয় ও পান-সুপারি দেওয়া হবে। অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য দেওয়া হবে খাসির মাংস। এছাড়া বিকেল পাঁচটায় তালাবদ্ধ করার আগে দেওয়া হয় রাতের খাবার।

এই ম্যানুতে থাকবে সাদাভাত, মাংস ও আলুর দম। ৩২ জন কয়েদি ৬০টি চুলায় রান্নার দায়িত্বে রয়েছে।

জানা গেছে, আজ ঈদুল আযহার খুশির দিনে স্বজনদের দেখার জন্য সাক্ষাত কক্ষে ছুটে এসেছেন বন্দীদের আত্বীয় স্বজনরা। সাক্ষাতের পাশাপাশি কারাগারের ভেতর থেকে অনেক বন্দী টেলিফোনে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে তিনি।