সূর্যোদয় ডেস্ক ● জাতীয় সংসদের চট্টগ্রাম-৪ আসনে নির্বাচন নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আদালতের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এ বিষয়ে কমিশনের কিছু করার নেই বলে মনে করছে সংস্থাটি। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপির অভিযোগ থাকা চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষদিন ১৮ জানুয়ারি বৈধ ঘোষণা করা হয়। এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে একটি ব্যাংক হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে তা খারিজ হয়ে যায়। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে। এদিকে, হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকীও লিভ টু আপিল করেন।গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। ফলে আসলাম চৌধুরীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকে। তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত থাকবে এবং ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না বলে আদেশ দেন আদালত। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। তবে আদালতের আদেশের কারণে তার ফলাফল প্রকাশ থেকে বিরত থাকে নির্বাচন কমিশন। ১৫ জুন শুনানি শেষে আপিল বিভাগ রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেন। নির্ধারিত দিনে রায়ে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেন আপিল বিভাগ। ওই দিন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায় কিংবা অ্যাডভান্স কপি আদালত থেকে কমিশনে পাঠানো হলে তা গ্রহণ করা হবে। তবে কমিশন স্বপ্রণোদিত হয়ে তা সংগ্রহ করবে না। কারণ, নির্বাচন কমিশন এ মামলার পক্ষভুক্ত নয়। যারা মামলার পক্ষভুক্ত, তারাই হয়তো কমিশনকে রায়ের কপি দেবেন। আদালত থেকেও তা পাঠানো হতে পারে। রায় হাতে পাওয়ার পর সেটি পর্যালোচনা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। এক্ষেত্রে চট্টগ্রাম-৪ আসনে পুনরায় নির্বাচন হবে, নাকি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে তা আদালতের রায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মীমাংসা হবে।
০৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:


















