০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূজপুর ইউপিতে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা এমন পোষ্ট মুর্হুতেই ভাইরাল!

  • আপডেট: ১০:৪১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • 16

চট্টগ্রাম ব্যুরো : || : গত দু দিনের টানা বর্ষনে ফটিকছড়ির ভূজপুরে ব্যাপক বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে। সোমবার এবং মঙ্গলবারের টানা বর্ষনে ভূজপুরে বেশ কয়েকটি গ্রাম ও সড়ক প্লাবিত হয়ে পানির নীচে তলিয়ে গেছে। পানিতে ডুবে গেছে কয়েকশত হেক্টর জমির বীজতলা। হালদার পানিতে ভেসে গেছে বেশ কিছু পুকুরের মাছ। এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় ফটিকছড়িতে ১৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গত ২৪ ঘন্টায় উত্তর ফটিকছড়ির ভুজপুরের পাশ ঘেষে বয়ে যাওয়া হালদা নদীর পানি ১৪.৭৭ সেন্টি মিটার বেড়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্টেশন কর্মকর্তা খুরশিদ আলম চৌধুরী। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্যমতে হালদার পানি বিপদ সীমার কাছাকাছি বলে জানা গেছে । কাজিরহাট হারুয়ালছড়ি সড়কের উপর দিয়ে হালদা নদীর পানি প্রবাহিত হওয়ায় সড়কে সকাল থেকে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে ভূজপুর ইউনিয়নের পাশ ঘেষা হালদা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বড় ধরনের বন্যার আশংকা প্রকাশ করে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে সতর্কতামূলক পোষ্ট দিয়েছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এমএইচ শাহজাহান চৌধুরী শিপন । তাঁর দেয়া সতর্কতা মূলক পোষ্টে তিনি স্থানীয় বাসিন্দারকে কমপক্ষে দুটি করে নৌকা ব্যবস্থা করে রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন। নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর দপ্তর ভূজপুরে স্থাপনের অন্যতম দাবিদার এ চেয়ারম্যান তাঁর ফেসবুকে পোষ্টে দেয়া বার্তায় তিনি সকলকে সর্তকতা অবলম্বন করে দুটি আশ্রয়ন কেন্দ্র ভূজপুর ন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ এবং শরীয়তুল উলুম মাদ্রাসায় অবস্থান নেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক দেয়া পত্রে ভূজপুর ন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজকে আশ্রয়কেন্দ্রের তালিকায় রাখা হয়েছে। এদিকে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর দপ্তর ভূজপুরে স্থাপনের অন্যতম দাবিদার এ চেয়ারম্যানের দেয়া ফেসবুক পোষ্টটি মুর্হুতেই ভাইরাল হয়ে যায়। বিশেষ করে উত্তর ফটিকছড়ির তিন ইউনিয়নের বাসিন্দারা পোস্টে নানান নেতিবাচক মন্তব্য করেন। সম্প্রতি সরকার ভূজপুর থানার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ফটিকছড়ি উত্তর নামে দেশের ৫০১ নং উপজেলা ঘোষণা করে। যদিও সদর দপ্তর হিসেবে বেশিরভাগ মানুষই ভূজপুরকে চায়না। আবার বন্যা প্লাবিত এলাকায় সদর দপ্তর না করার কথা আইনে বলা আছে।

সর্বাধিক পঠিত

বন্যা মোকাবিলায় চট্টগ্রামের অধিকাংশ উপজেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন

ভূজপুর ইউপিতে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা এমন পোষ্ট মুর্হুতেই ভাইরাল!

আপডেট: ১০:৪১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো : || : গত দু দিনের টানা বর্ষনে ফটিকছড়ির ভূজপুরে ব্যাপক বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে। সোমবার এবং মঙ্গলবারের টানা বর্ষনে ভূজপুরে বেশ কয়েকটি গ্রাম ও সড়ক প্লাবিত হয়ে পানির নীচে তলিয়ে গেছে। পানিতে ডুবে গেছে কয়েকশত হেক্টর জমির বীজতলা। হালদার পানিতে ভেসে গেছে বেশ কিছু পুকুরের মাছ। এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় ফটিকছড়িতে ১৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গত ২৪ ঘন্টায় উত্তর ফটিকছড়ির ভুজপুরের পাশ ঘেষে বয়ে যাওয়া হালদা নদীর পানি ১৪.৭৭ সেন্টি মিটার বেড়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্টেশন কর্মকর্তা খুরশিদ আলম চৌধুরী। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্যমতে হালদার পানি বিপদ সীমার কাছাকাছি বলে জানা গেছে । কাজিরহাট হারুয়ালছড়ি সড়কের উপর দিয়ে হালদা নদীর পানি প্রবাহিত হওয়ায় সড়কে সকাল থেকে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে ভূজপুর ইউনিয়নের পাশ ঘেষা হালদা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বড় ধরনের বন্যার আশংকা প্রকাশ করে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে সতর্কতামূলক পোষ্ট দিয়েছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এমএইচ শাহজাহান চৌধুরী শিপন । তাঁর দেয়া সতর্কতা মূলক পোষ্টে তিনি স্থানীয় বাসিন্দারকে কমপক্ষে দুটি করে নৌকা ব্যবস্থা করে রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন। নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর দপ্তর ভূজপুরে স্থাপনের অন্যতম দাবিদার এ চেয়ারম্যান তাঁর ফেসবুকে পোষ্টে দেয়া বার্তায় তিনি সকলকে সর্তকতা অবলম্বন করে দুটি আশ্রয়ন কেন্দ্র ভূজপুর ন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ এবং শরীয়তুল উলুম মাদ্রাসায় অবস্থান নেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক দেয়া পত্রে ভূজপুর ন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজকে আশ্রয়কেন্দ্রের তালিকায় রাখা হয়েছে। এদিকে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা সদর দপ্তর ভূজপুরে স্থাপনের অন্যতম দাবিদার এ চেয়ারম্যানের দেয়া ফেসবুক পোষ্টটি মুর্হুতেই ভাইরাল হয়ে যায়। বিশেষ করে উত্তর ফটিকছড়ির তিন ইউনিয়নের বাসিন্দারা পোস্টে নানান নেতিবাচক মন্তব্য করেন। সম্প্রতি সরকার ভূজপুর থানার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ফটিকছড়ি উত্তর নামে দেশের ৫০১ নং উপজেলা ঘোষণা করে। যদিও সদর দপ্তর হিসেবে বেশিরভাগ মানুষই ভূজপুরকে চায়না। আবার বন্যা প্লাবিত এলাকায় সদর দপ্তর না করার কথা আইনে বলা আছে।