সূর্যোদয় ডেস্ক ● রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় তুমুল আলোচনা চলছে। ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডের শিকার আগামী চক্রবর্তীর একটি পোস্টের স্ক্রিনশট সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই স্ক্রিনশটে দেখা যাচ্ছে, আগামী চক্রবর্তী তার কোনো এক পরিচিত জনকে ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে লিখেছেন, আমার বাসায় কারেন্ট নাই সারারাত, বিদ্যুতের কী জানি নষ্ট হয়েছে। সবার বাসায় কারেন্ট আছে আমার বাসায় নাই। সারারাত জাগলাম। পুলিশ ভোর রাতে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে জানালেও ওই স্ক্রিনশট অনুযায়ী প্রায় ৬টা পর্যন্ত ফেসবুকে সক্রিয় ছিলেন আগামী চক্রবর্তী। এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জি বলেন, ফেসবুক স্ক্রিনশটের বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এদি প্রেস ব্রিফিংয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ জানান, গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে মাদক সেবন করছিল মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস। এ ঘটনায় বাধা দেওয়ায় প্রথমে শিক্ষককে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর একে একে অন্য তিনজনকে হত্যা করা হয়। হত্যার পরও দীর্ঘ সময় বাড়িতে অবস্থান করে অভিযুক্তরা। গোসল করেছে, খেজুর ও শসা খেয়েছে, আবার মাদক সেবন করেছে, স্বর্ণালংকার খুঁজেছে এবং মোবাইল ফোন পানিতে ডুবিয়ে রেখেছে। মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশের প্রাথমিক ধারণা ছিল এটি পরিকল্পিত ডাকাতি। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যায় তাদের সেই বক্তব্য। বলা হয়, ডাকাতির ঘটনা সাজানো হয়েছিল। অথচ পুলিশেরই দাবি বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার নেওয়া হয়েছিল এবং গ্রেপ্তারদের দেখানো স্থান থেকে সেগুলো উদ্ধারও করা হয়েছে। তাহলে প্রশ্ন স্বর্ণালংকার যদি সত্যিই নিয়ে যাওয়া হয়ে থাকে, তাহলে ডাকাতির বিষয়টি পুরোপুরি সাজানো বলা হচ্ছে কেন?
০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
সর্বাধিক পঠিত



















