০৮:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাইফুলের কারণে বাগানবাজারে আওয়ামী লীগের ভিত্তি ৫ আগস্টের আগেই ভেঙে পরে

  • আপডেট: ০২:৫৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • 19

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী ১নং বাগানবাজার ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান রুস্তম আলীর ছেলে ছাত্রলীগ নেতা সাইফুলকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ বাণিজ্য এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ স্থানীয়ভাবে আলোচিত ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ বাণিজ্য এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে ইউনিয়নের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশে এক ধরনের ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এতে দলীয় ত্যাগী নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ নানা ক্ষেত্রে হয়রানি ও বঞ্চনার শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ১/১১-পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সাবেক চেয়ারম্যান রুস্তম আলীর ছেলে সাইফুল ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে এলাকায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি অভিযোগ করেন, সাইফুলের বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্য, ভারতীয় পণ্য চোরাচালান, বন বিভাগের জমি ও সম্পত্তি দখল, পাহাড় কাটা, বিচার বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ছিল। তবে সে সময়ে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কার্যকর তদন্ত বা দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এছাড়া ১নং বাগানবাজার ইউনিয়ন সীমান্তবর্তী অবস্থানের সুযোগ নিয়ে সাইফুল অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগেই আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি। তাদের ভাষ্য, সাবেক ইউনিয়নে রুস্তম আলী চেয়ারম্যান পদে থাকার কারণে তার ছেলে এই সাইফুলকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, যার প্রভাব পড়ে দলীয় জনসমর্থনের ওপর। স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে ইউনিয়নে দলীয় কর্মকাণ্ডের চেয়ে ব্যক্তি-কেন্দ্রিক প্রভাব বিস্তারই বেশি দৃশ্যমান ছিল। এতে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের একটি অংশ নিজেদের উপেক্ষিত মনে করেন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ধারাবাহিক প্রতিবেদনের ২য় অংশ আগামী সংখ্যায়

ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে এখন ১৯০

সাইফুলের কারণে বাগানবাজারে আওয়ামী লীগের ভিত্তি ৫ আগস্টের আগেই ভেঙে পরে

আপডেট: ০২:৫৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী ১নং বাগানবাজার ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান রুস্তম আলীর ছেলে ছাত্রলীগ নেতা সাইফুলকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ বাণিজ্য এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ স্থানীয়ভাবে আলোচিত ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ বাণিজ্য এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে ইউনিয়নের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশে এক ধরনের ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এতে দলীয় ত্যাগী নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ নানা ক্ষেত্রে হয়রানি ও বঞ্চনার শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ১/১১-পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সাবেক চেয়ারম্যান রুস্তম আলীর ছেলে সাইফুল ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে এলাকায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি অভিযোগ করেন, সাইফুলের বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্য, ভারতীয় পণ্য চোরাচালান, বন বিভাগের জমি ও সম্পত্তি দখল, পাহাড় কাটা, বিচার বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ছিল। তবে সে সময়ে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কার্যকর তদন্ত বা দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এছাড়া ১নং বাগানবাজার ইউনিয়ন সীমান্তবর্তী অবস্থানের সুযোগ নিয়ে সাইফুল অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগেই আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি। তাদের ভাষ্য, সাবেক ইউনিয়নে রুস্তম আলী চেয়ারম্যান পদে থাকার কারণে তার ছেলে এই সাইফুলকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, যার প্রভাব পড়ে দলীয় জনসমর্থনের ওপর। স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে ইউনিয়নে দলীয় কর্মকাণ্ডের চেয়ে ব্যক্তি-কেন্দ্রিক প্রভাব বিস্তারই বেশি দৃশ্যমান ছিল। এতে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের একটি অংশ নিজেদের উপেক্ষিত মনে করেন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ধারাবাহিক প্রতিবেদনের ২য় অংশ আগামী সংখ্যায়