১০:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের আসামে থেকে এলো আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

  • আপডেট: ০৭:২১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • 12

সূর্যোদয় ডেস্ক : বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছেছে। এনিয়ে চলতি বছরে পঞ্চম ধাপে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এলো। জানা যায়, গত ৭ এপ্রিল থেকে এই ডিজেল পাম্পিং কার্যক্রম শুরু হয়ে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে শেষ হয়। পার্বতীপুর রেল হেড অয়েল ডিপোর অপারেশন ম্যানেজার রবিউল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পাইপলাইনের মাধ্যমে চলতি মাসে চার ধাপে মোট প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে আনা হবে। এর আগে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে ২৮ মার্চ ৫ হাজার মেট্রিক টন এবং ৩১ মার্চ ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পার্বতীপুর ডিপোতে এসে পৌঁছায়। এই ডিজেল পার্বতীপুর ডিপোতে সংরক্ষণ করা হবে এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় সরবরাহ করা হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পাইপলাইন চালু থাকায় জ্বালানি পরিবহনে সময় ও খরচ কমছে, পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থাও আরও সহজ ও নিরাপদ হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

সুনামগঞ্জে সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় বজ্রপাতে মারা গেলেন ৫ কৃষক

ভারতের আসামে থেকে এলো আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

আপডেট: ০৭:২১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক : বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছেছে। এনিয়ে চলতি বছরে পঞ্চম ধাপে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এলো। জানা যায়, গত ৭ এপ্রিল থেকে এই ডিজেল পাম্পিং কার্যক্রম শুরু হয়ে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে শেষ হয়। পার্বতীপুর রেল হেড অয়েল ডিপোর অপারেশন ম্যানেজার রবিউল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পাইপলাইনের মাধ্যমে চলতি মাসে চার ধাপে মোট প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে আনা হবে। এর আগে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে ২৮ মার্চ ৫ হাজার মেট্রিক টন এবং ৩১ মার্চ ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পার্বতীপুর ডিপোতে এসে পৌঁছায়। এই ডিজেল পার্বতীপুর ডিপোতে সংরক্ষণ করা হবে এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় সরবরাহ করা হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পাইপলাইন চালু থাকায় জ্বালানি পরিবহনে সময় ও খরচ কমছে, পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থাও আরও সহজ ও নিরাপদ হচ্ছে।