০১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানের রুমায় বম পার্টির প্রশিক্ষণ ঘাঁটিতে সেনাবাহিনীর অভিযান

  • আপডেট: ১২:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 100

বান্দরবান প্রতিনিধি : বান্দরবানের রুমা উপজেলার সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় বম পার্টির (কথিত কেএনএ) প্রশিক্ষণ ঘাঁটিতে অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী।বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও শেয়ার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৫ জুলাই থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত এক মাসব্যাপী বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানকালে সেনাবাহিনীর টহল দল সীমান্তবর্তী জনবসতিহীন এলাকায় বম পার্টির (তথাকথিত কেএনএ) ১টি প্রশিক্ষণ ঘাঁটি চিহ্নিত করে এবং ব্যাপক তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। এতে আরও বলা হয়েছে, অভিযানকালে প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত কাঠের রাইফেল, স্নাইপার অস্ত্রের সিলিং, মিলিটারি বেল্ট, কার্তুজ বেল্ট, পোচ, ইউনিফর্ম, বুট, কম্বল, ওয়াকিটকি চার্জার, সোলার প্যানেল, রসদ এবং বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও, সশস্ত্র সংগঠনটির প্রশিক্ষণ মাঠ, ফায়ারিং রেঞ্জ, পরিখা এবং বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা দখল করা হয়।

সর্বাধিক পঠিত

দুই দিনের সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

বান্দরবানের রুমায় বম পার্টির প্রশিক্ষণ ঘাঁটিতে সেনাবাহিনীর অভিযান

আপডেট: ১২:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বান্দরবান প্রতিনিধি : বান্দরবানের রুমা উপজেলার সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় বম পার্টির (কথিত কেএনএ) প্রশিক্ষণ ঘাঁটিতে অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী।বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও শেয়ার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৫ জুলাই থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত এক মাসব্যাপী বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানকালে সেনাবাহিনীর টহল দল সীমান্তবর্তী জনবসতিহীন এলাকায় বম পার্টির (তথাকথিত কেএনএ) ১টি প্রশিক্ষণ ঘাঁটি চিহ্নিত করে এবং ব্যাপক তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। এতে আরও বলা হয়েছে, অভিযানকালে প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত কাঠের রাইফেল, স্নাইপার অস্ত্রের সিলিং, মিলিটারি বেল্ট, কার্তুজ বেল্ট, পোচ, ইউনিফর্ম, বুট, কম্বল, ওয়াকিটকি চার্জার, সোলার প্যানেল, রসদ এবং বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও, সশস্ত্র সংগঠনটির প্রশিক্ষণ মাঠ, ফায়ারিং রেঞ্জ, পরিখা এবং বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা দখল করা হয়।