০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় ট্রাফিক পুলিশের ঈদ আনন্দ

তপন তালুকদার : সোমবার ৩১ মার্চ সকালে ঈদের নামাজ শেষে উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হয়েছে সারাদেশে। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর বেশির ভাগ মানুষ পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দে কাটিয়েছেন। কিন্তু এমন দিনে দেশের ট্রাফিক পুলিশের ঈদ আনন্দের এই দিনটি কেটেছে পরিবার পরিজন ছাড়া কাজের ব্যস্ততায়। ট্রাফিক পুলিশ আজ ঈদের দিনেও নিরবচ্ছিন্নভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে গেছেন। সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় গুলশান, সায়দাবাদ,মহাখালী,বিজয় সরণি, তেজগাঁও, চিটাগং রোড, ডেমরার কোনাপাড়া মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। সারাদেশে যখন ঈদ উদ্‌যাপন করছেন সকল শ্রেণীর মানুষ তখন সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা করছে ট্রাফিক পুলিশ। সড়কে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, কেউ যেন ভোগান্তিতে না পড়েন এ জন্য বিশেষ এই দিন দায়িত্ব পালন করেই কাটে তাদের। এমন আনন্দের দিনে পরিবার থেকে দূরে থাকা এসব মানুষের ক্ষণিকের জন্য মন খারাপ হলেও, দায়িত্ব পালন করতে তারা বিন্দুমাত্র গাফিলতি করেন না। ফলে দায়িত্বের মধ্যে থেকেই ঈদের আনন্দ খুঁজে নেন তারা। ঈদের সকালে সবাই যখন পরিবার নিয়ে রঙিন জামা-কাপড় পড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তখন বিজয় সরণিতে রোদে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছেন মাকসুদুর রহমান। যাতে ঈদের দিন রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক থাকে। ভোর সাড়ে ৬টা থেকে বিজয় সরণিতে দায়িত্ব পালন করা এই ট্রাফিক সদস্য দায়িত্ব পালনের মাঝেই আদায় করেছেন ঈদের নামাজ। সেমাই খেয়ে এসেছেন ভোরে বাসা থেকেই। জানতে চাইলে মাকসুদুর রহমান বলেন, এটা আমাদের কাজ। সবাই তো ঈদে ছুটিতে যেতে পারবে না। সকালে সাড়ে ৬টায় ডিউটিতে আসছি। এরপর থেকে স্ট্যান্ডবাই আছি। মাঝে সাড়ে ৮টায় নামাজে পড়েছি। তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট প্রদীপ ঘোষ বলেন, চাকরিতে ঢোকার পরে এটা আমার প্রথম ঈদ। ভালোই লাগছে ঈদে ঢাকায় থেকে। সবাই পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছে। আমারও পরিবারের কথা মনে পড়ে। বাড়ি থেকে অনেকবার ফোন আসছে। বললাম, ঈদে তো সেভাবে ছুটি নেই। জনগণের সেবা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সবাই যাতে ভালো করে ঈদ করতে পারে, যানজট না থাকে সেটাই চেষ্টা করছি।

সর্বাধিক পঠিত

সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় ট্রাফিক পুলিশের ঈদ আনন্দ

আপডেট: ০২:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫

তপন তালুকদার : সোমবার ৩১ মার্চ সকালে ঈদের নামাজ শেষে উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হয়েছে সারাদেশে। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর বেশির ভাগ মানুষ পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দে কাটিয়েছেন। কিন্তু এমন দিনে দেশের ট্রাফিক পুলিশের ঈদ আনন্দের এই দিনটি কেটেছে পরিবার পরিজন ছাড়া কাজের ব্যস্ততায়। ট্রাফিক পুলিশ আজ ঈদের দিনেও নিরবচ্ছিন্নভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে গেছেন। সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় গুলশান, সায়দাবাদ,মহাখালী,বিজয় সরণি, তেজগাঁও, চিটাগং রোড, ডেমরার কোনাপাড়া মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। সারাদেশে যখন ঈদ উদ্‌যাপন করছেন সকল শ্রেণীর মানুষ তখন সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা করছে ট্রাফিক পুলিশ। সড়কে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, কেউ যেন ভোগান্তিতে না পড়েন এ জন্য বিশেষ এই দিন দায়িত্ব পালন করেই কাটে তাদের। এমন আনন্দের দিনে পরিবার থেকে দূরে থাকা এসব মানুষের ক্ষণিকের জন্য মন খারাপ হলেও, দায়িত্ব পালন করতে তারা বিন্দুমাত্র গাফিলতি করেন না। ফলে দায়িত্বের মধ্যে থেকেই ঈদের আনন্দ খুঁজে নেন তারা। ঈদের সকালে সবাই যখন পরিবার নিয়ে রঙিন জামা-কাপড় পড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তখন বিজয় সরণিতে রোদে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছেন মাকসুদুর রহমান। যাতে ঈদের দিন রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক থাকে। ভোর সাড়ে ৬টা থেকে বিজয় সরণিতে দায়িত্ব পালন করা এই ট্রাফিক সদস্য দায়িত্ব পালনের মাঝেই আদায় করেছেন ঈদের নামাজ। সেমাই খেয়ে এসেছেন ভোরে বাসা থেকেই। জানতে চাইলে মাকসুদুর রহমান বলেন, এটা আমাদের কাজ। সবাই তো ঈদে ছুটিতে যেতে পারবে না। সকালে সাড়ে ৬টায় ডিউটিতে আসছি। এরপর থেকে স্ট্যান্ডবাই আছি। মাঝে সাড়ে ৮টায় নামাজে পড়েছি। তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট প্রদীপ ঘোষ বলেন, চাকরিতে ঢোকার পরে এটা আমার প্রথম ঈদ। ভালোই লাগছে ঈদে ঢাকায় থেকে। সবাই পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছে। আমারও পরিবারের কথা মনে পড়ে। বাড়ি থেকে অনেকবার ফোন আসছে। বললাম, ঈদে তো সেভাবে ছুটি নেই। জনগণের সেবা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সবাই যাতে ভালো করে ঈদ করতে পারে, যানজট না থাকে সেটাই চেষ্টা করছি।