০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুরে জামায়াত-শিবিরের হামলায় আ.লীগ নেতাসহ ৪ জন নিহত

  • আপডেট: ০৪:৩০:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪
  • 247

রংপুর প্রতিনিধি : রংপুর নগরীতে জামায়াত-শিবিরের হামলায় মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা, পশুরাম থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর হারাধন রায়সহ ৪ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৮ সাংবাদিকসহ শতাধিক। গুরুতর আহত অবস্থায় ৯ জনকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি ৩ জন নিহত হলেন যুবলীগ কর্মী খসরু। তার বাড়ি রংপুর নগরীর গুড়াতিপাড়া। মাসুম (৩১) এ ছাড়া নিহত আরেকজনের নাম-পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অপরদিকে, বদরগঞ্জ উপজেলা সদরে রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ডিউক চৌধুরী, বদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র টুটুল চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগ নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি সুইট, যুবলীগ নেতা পুলিন চৌধুরীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও মালামাল লুট হয়েছে। একইভাবে মিঠাপুকুর উপজেলার ইউএনও কার্যালয়, সাবেক এমপি আশিকুর রহমানের বাড়িসহ বেশ কয়েকটি সরকারি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আগুন, প্রেসক্লাবের সামনে রাখা ১১টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও নগর জুড়ে ব্যাপক সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এর আগে, সকাল থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে ছদ্দবেশে জামায়াত-শিবিরের সশস্ত্র কর্মীরা রংপুর নগরীর টাউন হল চত্বরে সমবেত হতে থাকে। অপরদিকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীরা নগরীর জাহাজ কোম্পানি এলাকায় অবস্থান নেয়। বেলা ১১টার দিকে উপয়পক্ষ পরস্পরের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ সিটিবাজার থেকে শুরু করে জাহাজ কোম্পানি এলাকা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা পিস্তলসহ দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করতে দেখা গেছে। দুপুর ২টা পর্যন্ত সংঘর্ষ অব্যাহত ছিল। সংঘর্ষ চলাকালে একুশে টিভির ক্যামেরাপারসন আলী হায়দার রনি, এনটিভির ক্যামেরাপারসন আরমানসহ ৮ সাংবাদিককে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। সাংবাদিক পরিচয় পেলেই এবং ক্যামেরা বা মোবাইল ফোনে ছবি নিতে দেখলেই মারধরের শিকার হতে হয়েছে বলে আহত সংবাদকর্মীরা জানিয়েছেন। ২ ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে শতাধিক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের বহু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৯ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

রংপুরে জামায়াত-শিবিরের হামলায় আ.লীগ নেতাসহ ৪ জন নিহত

আপডেট: ০৪:৩০:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪

রংপুর প্রতিনিধি : রংপুর নগরীতে জামায়াত-শিবিরের হামলায় মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা, পশুরাম থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর হারাধন রায়সহ ৪ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৮ সাংবাদিকসহ শতাধিক। গুরুতর আহত অবস্থায় ৯ জনকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি ৩ জন নিহত হলেন যুবলীগ কর্মী খসরু। তার বাড়ি রংপুর নগরীর গুড়াতিপাড়া। মাসুম (৩১) এ ছাড়া নিহত আরেকজনের নাম-পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অপরদিকে, বদরগঞ্জ উপজেলা সদরে রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ডিউক চৌধুরী, বদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র টুটুল চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগ নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি সুইট, যুবলীগ নেতা পুলিন চৌধুরীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও মালামাল লুট হয়েছে। একইভাবে মিঠাপুকুর উপজেলার ইউএনও কার্যালয়, সাবেক এমপি আশিকুর রহমানের বাড়িসহ বেশ কয়েকটি সরকারি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আগুন, প্রেসক্লাবের সামনে রাখা ১১টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও নগর জুড়ে ব্যাপক সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এর আগে, সকাল থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে ছদ্দবেশে জামায়াত-শিবিরের সশস্ত্র কর্মীরা রংপুর নগরীর টাউন হল চত্বরে সমবেত হতে থাকে। অপরদিকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীরা নগরীর জাহাজ কোম্পানি এলাকায় অবস্থান নেয়। বেলা ১১টার দিকে উপয়পক্ষ পরস্পরের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ সিটিবাজার থেকে শুরু করে জাহাজ কোম্পানি এলাকা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা পিস্তলসহ দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করতে দেখা গেছে। দুপুর ২টা পর্যন্ত সংঘর্ষ অব্যাহত ছিল। সংঘর্ষ চলাকালে একুশে টিভির ক্যামেরাপারসন আলী হায়দার রনি, এনটিভির ক্যামেরাপারসন আরমানসহ ৮ সাংবাদিককে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। সাংবাদিক পরিচয় পেলেই এবং ক্যামেরা বা মোবাইল ফোনে ছবি নিতে দেখলেই মারধরের শিকার হতে হয়েছে বলে আহত সংবাদকর্মীরা জানিয়েছেন। ২ ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে শতাধিক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের বহু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৯ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।