মিশু দাশ, সূর্যোদয় : বাজেট স্বল্পতার কারণে বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য একটি এক্সপার্ট গ্রুপ পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ১৫ অক্টোবর রবিবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের তারা এমন ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান।
১৫ অক্টোবর রবিবার সকাল ১১টার দিকে ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির গুলশানের বাসায় আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ইইউভুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরাও অংশ নেন। বৈঠকের পর দলের ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা শুনে খুশি হবেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘোষণা দিয়েছে, তারা একটা এক্সপার্ট গ্রুপকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে পাঠাবে।
রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে ভালো বৈঠক হয়েছে উল্লেখ করে ফারুক খান বলেন, বৈঠকের শুরুতেই তারা বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৫০ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্ক, এটা একটা চমকপ্রদ ব্যাপার। আগামী কিছু দিনের মধ্যেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়ন সফরে যাচ্ছেন। সেখানে আমাদের সঙ্গে পার্টনারশিপ চুক্তি হবে। বৈঠকে মূলত আলোচনা হয়েছে- আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কী পরিসরে, কী চিন্তায় অগ্রসর হচ্ছে? আমরা তাদের বলেছি যে আমাদের সংবিধান অনুযায়ী কিছু দিনের মধ্যেই অন্তর্র্বতীকালীন সরকার গঠিত হবে। তারপর নির্বাচন কমিশন ভোটের শিডিউল (তফসিল) ঘোষণা করবে এবং তারপর আমরা সেই মোতাবেক নির্বাচন করবো। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেনুফেস্টু কী হবে, সেটাও ইইউ সদস্যরা জানতে চেয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা তাদের ব্যাখ্যা করেছি আমাদের মেনুফেস্টু সাধারণত দুইটি অংশ থাকে। প্রথম অংশে গত নির্বাচনে যে মেনুফেস্টু দেওয়া হয়েছে, সেখানে আমাদের যে কমিটমেন্টগুলো ছিল, সেটা আমরা কতদূর পূরণ করতে পেরেছি, তা আমরা জনগণকে জানাবো। পরের অংশে আগামী ৫ বছরে আমরা কী করতে চাই, এটা জানাবো। এই লক্ষ্যে সব সব অংশীদারদের নিয়ে ইতোমধ্যে একটা বৈঠক করা হয়েছে, তারা কাজ করছেন। কিছুদিনের মধ্যেই এটা শেষ হলে তা আওয়ামী লীগের সেন্ট্রাল ওয়ার্কিং কমিটির মিটিংয়ে প্লেস করা হবে। সেখানে এটা অনুমোদন পেলে প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে সবাইকে জানানো হবে। বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি ছাড়াও ইইউভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, কার্যনির্বাহী সদস্য তারানা হালিম ও নির্মল চ্যাটার্জী।




















