০৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলার চরফ্যাশনে ভরা মৌসুমেও মিলছে না রুপালি ইলিশ, জেলে পরিবারে হাহাকার!

  • আপডেট: ০৭:১৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০২৩
  • 153

মোঃ সিরাজুল ইসলাম, ভোলা : ঋতু চক্রে চলছে বর্ষাকাল। আর বর্ষাকালকে ধরা হয় ইলিশের ভরা মৌসুম। এই ভরা মৌসুমে বৃষ্টি কম থাকায় মেঘনা নদীতে ধরা পড়ছে না কাঙ্খিত ইলিশ। এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে চর-ফকিরা ইউনিয়নের খেজুর গাছিয়ার এলাকার মৎস্য-পল্লীসহ পুরো উপজেলা জুড়ে।
৩-৪ দিনের জন্য নদীতে মাছ স্বীকারের জন্য গেলে দেখা যায়, যে পরিমান অর্থ খরচ করে নদীতে যান তা পুষিয়ে উঠতে পারছেন না মৎস্যজীবিরা। এতে ধার দেনা করে কোনমতে দিন যাপন করছেন উপজেলার সকল মৎস্যজীবি।
খেজুর গাছিয়ার এলাকার মৎস্যজীবি মো: সেলিম মিয়া বলেন, প্রায় ১৫ বছর যাবৎ জেলে কাজের সাথে জড়িত আছেন তারা। এদিকে আষাঢ় মাস শেষ হয়ে এলো দেখা মিলছে না ইলিশের। তবুও আশায় বুক বেঁধে চেয়ে আছেন নদীর বুকে। খুব বেশি বৃষ্টিপাত হলে কাঙ্খিত ইলিশ ধরা পড়বে এই আশায়।
একই এলাকার মুনতাছির মাঝি বলেন, প্রায় ২০ বছর যাবৎ এই পেশায় জড়িত আছেন। নদীতে মাছ না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করছেন বলে এই প্রতিবেদক কে জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে চরফ্যাশন উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার বলেন, এখন ইলিশের ভরা মৌসুম হলেও নদীতে দেখা মিলছে না রুপালি ইলিশের। এবছর বৃষ্টিপাত কম ও নদীর পানি লবনাক্ত হওয়ায় মূলত মাছ কম পাওয়া যাচ্ছে। ইলিশের মতো মাইগ্রোনশীল মাছ লবনাক্ত পানিতে আসতে কিছুটা বাধাগ্রস্থ হয়।
মৎস্য কর্মকর্তা আরো বলেন, একটানা বৃষ্টিপাত হলে মেঘনার পানিতে লবনের পরিমান কমে যাবে তখন থেকে নদীতে প্রচুর পরিমানে ইলিশ মাছ পড়তে শুর করবে এমনটা আশা করা যাচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

এ মাসে দুই বার বাড়ল এলপিজির দাম, বৈদ্যুতিক চুলার দিকে ঝুঁকছে মানুষ

ভোলার চরফ্যাশনে ভরা মৌসুমেও মিলছে না রুপালি ইলিশ, জেলে পরিবারে হাহাকার!

আপডেট: ০৭:১৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০২৩

মোঃ সিরাজুল ইসলাম, ভোলা : ঋতু চক্রে চলছে বর্ষাকাল। আর বর্ষাকালকে ধরা হয় ইলিশের ভরা মৌসুম। এই ভরা মৌসুমে বৃষ্টি কম থাকায় মেঘনা নদীতে ধরা পড়ছে না কাঙ্খিত ইলিশ। এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে চর-ফকিরা ইউনিয়নের খেজুর গাছিয়ার এলাকার মৎস্য-পল্লীসহ পুরো উপজেলা জুড়ে।
৩-৪ দিনের জন্য নদীতে মাছ স্বীকারের জন্য গেলে দেখা যায়, যে পরিমান অর্থ খরচ করে নদীতে যান তা পুষিয়ে উঠতে পারছেন না মৎস্যজীবিরা। এতে ধার দেনা করে কোনমতে দিন যাপন করছেন উপজেলার সকল মৎস্যজীবি।
খেজুর গাছিয়ার এলাকার মৎস্যজীবি মো: সেলিম মিয়া বলেন, প্রায় ১৫ বছর যাবৎ জেলে কাজের সাথে জড়িত আছেন তারা। এদিকে আষাঢ় মাস শেষ হয়ে এলো দেখা মিলছে না ইলিশের। তবুও আশায় বুক বেঁধে চেয়ে আছেন নদীর বুকে। খুব বেশি বৃষ্টিপাত হলে কাঙ্খিত ইলিশ ধরা পড়বে এই আশায়।
একই এলাকার মুনতাছির মাঝি বলেন, প্রায় ২০ বছর যাবৎ এই পেশায় জড়িত আছেন। নদীতে মাছ না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করছেন বলে এই প্রতিবেদক কে জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে চরফ্যাশন উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার বলেন, এখন ইলিশের ভরা মৌসুম হলেও নদীতে দেখা মিলছে না রুপালি ইলিশের। এবছর বৃষ্টিপাত কম ও নদীর পানি লবনাক্ত হওয়ায় মূলত মাছ কম পাওয়া যাচ্ছে। ইলিশের মতো মাইগ্রোনশীল মাছ লবনাক্ত পানিতে আসতে কিছুটা বাধাগ্রস্থ হয়।
মৎস্য কর্মকর্তা আরো বলেন, একটানা বৃষ্টিপাত হলে মেঘনার পানিতে লবনের পরিমান কমে যাবে তখন থেকে নদীতে প্রচুর পরিমানে ইলিশ মাছ পড়তে শুর করবে এমনটা আশা করা যাচ্ছে।