০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত

  • আপডেট: ০২:০১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • 25

সূর্যোদয় ডেস্ক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আরও এক বাংলাদেশি নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত দুজন নিহতের খবর পাওয়া গেলো। শুক্রবার (৮ মে) গভীর রাতে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে এ গুলির ঘটনা ঘটে। নিহত মোরছালিন গোপীনাথপুর ইউনিয়নেন ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি গোপীনাথপুর শাহআলম ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আরেক নিহত নবীর হোসেনের (৪০) বাড়ি মধুপুর গ্রামে। দু’জনের মরদেহ আগরতলার জিবি হাসপাতালে রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্র জানায়। একই ঘটনায় আরো কয়েকজন বাংলাদেশি তরুণ আহত হয়েছেন। তবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চিকিৎসার জন্য তাদেরকে কুমিল্লায় নেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন চোরাকারবারী রাতে মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে নিয়ে যায়। একই সময়ে নবীর হোসেনসহ কয়েকজন সীমান্ত এলাকায় যান। এসময় বিএসএফ তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি করলে ঘটনাস্থলে মুরছালিন নিহত হন। পরে তার মরদেহ বিএসএফ ভারতে নিয়ে যায়। এসময় আহত নবীর হোসেনকেও নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বিজিবি ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত দুজনই চোরাচালানীর সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানা গেছে। বিজিবি এরই মধ্যে বিএসএফের সঙ্গে মরদেহগুলো দেশে নিয়ে আসার বিষয়ে কাজ করছে।

আগামীকাল ১৩ মে দৈনিক সূর্যোদয়ের ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত

আপডেট: ০২:০১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

সূর্যোদয় ডেস্ক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আরও এক বাংলাদেশি নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত দুজন নিহতের খবর পাওয়া গেলো। শুক্রবার (৮ মে) গভীর রাতে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে এ গুলির ঘটনা ঘটে। নিহত মোরছালিন গোপীনাথপুর ইউনিয়নেন ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি গোপীনাথপুর শাহআলম ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আরেক নিহত নবীর হোসেনের (৪০) বাড়ি মধুপুর গ্রামে। দু’জনের মরদেহ আগরতলার জিবি হাসপাতালে রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্র জানায়। একই ঘটনায় আরো কয়েকজন বাংলাদেশি তরুণ আহত হয়েছেন। তবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চিকিৎসার জন্য তাদেরকে কুমিল্লায় নেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন চোরাকারবারী রাতে মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে নিয়ে যায়। একই সময়ে নবীর হোসেনসহ কয়েকজন সীমান্ত এলাকায় যান। এসময় বিএসএফ তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি করলে ঘটনাস্থলে মুরছালিন নিহত হন। পরে তার মরদেহ বিএসএফ ভারতে নিয়ে যায়। এসময় আহত নবীর হোসেনকেও নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বিজিবি ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত দুজনই চোরাচালানীর সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানা গেছে। বিজিবি এরই মধ্যে বিএসএফের সঙ্গে মরদেহগুলো দেশে নিয়ে আসার বিষয়ে কাজ করছে।