০৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওমান প্রবাসীদের কাজকর্ম কম থাকায় চিন্তিত অনেকে

মামুন আহমেদ শরীফ তালুকদার, ওমান থেকে: ওমান মাস্কাট শহরে বাংলাদেশীদের আয় রোজগার কমে গেছে। ওমান সরকার নতুন শ্রম আইন ২০২৪ এর পর থেকে বাংলাদেশের জন্য ভিসা বন্ধ ও এক কোম্পানির লোক অন্য কোনো কোম্পানিতে কাজ করতে না পারার বিষয়েও বিধিনিষেধ থাকায় এবং জরিমানার ভয়ে যেকোনো মানুষ যেকোনো কাজে যেতে পারছে না আগের মতো।

বিশেষ করে অবৈধ প্রবাসী যারা রয়েছে তাদেরকে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আগের মতো কাজ কর্ম পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকে তাদেরকে কাজে নিতেও চাচ্ছে না কারন অবৈধ ভাবে কাজে পেলে যেকোনো কোম্পানিকে জরিমানা দিতে হয়। বিশেষ করে নতুন আইন একটু বেশি কড়াকড়ি হওয়ার কারণে ওমান প্রবাসীদের আয় রোজগার কমে গেছে।

সুজন, নামের এক ব্যক্তি দৈনিক সূর্যোদয়কে বলেন, দুইদিন কাজে গেলে তিনদিন বসে থাকতে হয়। আগের মতো কাজ পাওয়া যায় না। বাহিরে ফ্রী ভিসা ধারি এবং অবৈধ যারা রয়েছে তাদেরকে কেউই কাজে নিতে চায় না, কারন বিনা এগ্রিমেন্টে জরিমানার ভয়। এমতাবস্থায় ওমানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক প্রবাসী চিন্তায় রয়েছেন।

স্টীল কাজের ঠিকাদার মোঃ উজ্জ্বল নামের অপর একজন প্রবাসী বলেন, আজ মাস দু-এক হলো বেকার। নতুন কোনো কাজের কন্টাক্ট পাচ্ছেন না। রুই মাচ্ছি মার্কেট এরিয়ায় বেশির ভাগ মানুষ বেকার দিন কাটাচ্ছেন। জাফর নামের অপর একজন বলেন, আজ ২৩ দিন হলো মাসের, কাজ হয়নি ১৩ দিন। রমজান মাস নিজের খাওয়া দাওয়া ও রুম ভাড়া দিয়ে ঈদের সময় দেশে পরিবারের জন্য কি পাঠাবো? চিন্তায় ঘুম আসে না। সবকিছুর পর ওমানে আগের মতো আর তেমন কাজ পাওয়া যাচ্ছে না।

এরমধ্যেই মাঝে মাঝে অবৈধ প্রবাসীদের ধরপাকড় করে দেশে পাঠাচ্ছে ওমান সরকার। এমতাবস্থায় দিন দিন আতংক বাড়ছে ওমান প্রবাসীদের মাঝে।

প্রধানমন্ত্রীর চাঁদপুর সফর, পথে পথে জনতার ঢল

ওমান প্রবাসীদের কাজকর্ম কম থাকায় চিন্তিত অনেকে

আপডেট: ০২:৪৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০২৪

মামুন আহমেদ শরীফ তালুকদার, ওমান থেকে: ওমান মাস্কাট শহরে বাংলাদেশীদের আয় রোজগার কমে গেছে। ওমান সরকার নতুন শ্রম আইন ২০২৪ এর পর থেকে বাংলাদেশের জন্য ভিসা বন্ধ ও এক কোম্পানির লোক অন্য কোনো কোম্পানিতে কাজ করতে না পারার বিষয়েও বিধিনিষেধ থাকায় এবং জরিমানার ভয়ে যেকোনো মানুষ যেকোনো কাজে যেতে পারছে না আগের মতো।

বিশেষ করে অবৈধ প্রবাসী যারা রয়েছে তাদেরকে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আগের মতো কাজ কর্ম পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকে তাদেরকে কাজে নিতেও চাচ্ছে না কারন অবৈধ ভাবে কাজে পেলে যেকোনো কোম্পানিকে জরিমানা দিতে হয়। বিশেষ করে নতুন আইন একটু বেশি কড়াকড়ি হওয়ার কারণে ওমান প্রবাসীদের আয় রোজগার কমে গেছে।

সুজন, নামের এক ব্যক্তি দৈনিক সূর্যোদয়কে বলেন, দুইদিন কাজে গেলে তিনদিন বসে থাকতে হয়। আগের মতো কাজ পাওয়া যায় না। বাহিরে ফ্রী ভিসা ধারি এবং অবৈধ যারা রয়েছে তাদেরকে কেউই কাজে নিতে চায় না, কারন বিনা এগ্রিমেন্টে জরিমানার ভয়। এমতাবস্থায় ওমানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক প্রবাসী চিন্তায় রয়েছেন।

স্টীল কাজের ঠিকাদার মোঃ উজ্জ্বল নামের অপর একজন প্রবাসী বলেন, আজ মাস দু-এক হলো বেকার। নতুন কোনো কাজের কন্টাক্ট পাচ্ছেন না। রুই মাচ্ছি মার্কেট এরিয়ায় বেশির ভাগ মানুষ বেকার দিন কাটাচ্ছেন। জাফর নামের অপর একজন বলেন, আজ ২৩ দিন হলো মাসের, কাজ হয়নি ১৩ দিন। রমজান মাস নিজের খাওয়া দাওয়া ও রুম ভাড়া দিয়ে ঈদের সময় দেশে পরিবারের জন্য কি পাঠাবো? চিন্তায় ঘুম আসে না। সবকিছুর পর ওমানে আগের মতো আর তেমন কাজ পাওয়া যাচ্ছে না।

এরমধ্যেই মাঝে মাঝে অবৈধ প্রবাসীদের ধরপাকড় করে দেশে পাঠাচ্ছে ওমান সরকার। এমতাবস্থায় দিন দিন আতংক বাড়ছে ওমান প্রবাসীদের মাঝে।