০৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অর্ধশত বাড়িঘরে হামলায় আহত ২০ জন

  • আপডেট: ০৩:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 162

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে গ্রামের দুই গ্রুপের পূর্ব বিরোধের জেরে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। গতকাল ১৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাত থেকে আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি রোববার দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে।

গুরুতর আহতদের মধ্যে ১২ জন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। জানা যায়, সদর উপজেলার নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়নের কালিসীমা গ্রামে খানিবাড়ি গোষ্ঠী ও সিরাজ আলী বাড়ির গোষ্ঠী মিলে একটি এবং দোলা বাড়ি গোষ্ঠী নামের আকেটি গ্রুপ রয়েছে। একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা পরিষদ সদস্য বাবুল মিয়া। অপরটির নেতৃত্বে রয়েছেন ইউপি মেম্বার আরজু মিয়া। এ দুই গ্রুপে সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যানরাও রয়েছেন। তাদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

পূর্ব বিরোধের জেরে শুক্রবার রাতে একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। গতকাল শনিবার সকাল থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ চলাকালে প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর এবং বেশ কয়েকটি বাড়ি লুটপাট করা হয়। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন এ ঘটনায় ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আগামী সপ্তাহেই বড় ধরনের হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অর্ধশত বাড়িঘরে হামলায় আহত ২০ জন

আপডেট: ০৩:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে গ্রামের দুই গ্রুপের পূর্ব বিরোধের জেরে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। গতকাল ১৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাত থেকে আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি রোববার দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে।

গুরুতর আহতদের মধ্যে ১২ জন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। জানা যায়, সদর উপজেলার নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়নের কালিসীমা গ্রামে খানিবাড়ি গোষ্ঠী ও সিরাজ আলী বাড়ির গোষ্ঠী মিলে একটি এবং দোলা বাড়ি গোষ্ঠী নামের আকেটি গ্রুপ রয়েছে। একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা পরিষদ সদস্য বাবুল মিয়া। অপরটির নেতৃত্বে রয়েছেন ইউপি মেম্বার আরজু মিয়া। এ দুই গ্রুপে সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যানরাও রয়েছেন। তাদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

পূর্ব বিরোধের জেরে শুক্রবার রাতে একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। গতকাল শনিবার সকাল থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ চলাকালে প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর এবং বেশ কয়েকটি বাড়ি লুটপাট করা হয়। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন এ ঘটনায় ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।