Dhaka ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালী, সাতকানিয়া ও চাঁদপুরের ২ শতাধিক গ্রামে ঈদ

আব্দুর রহমান মানিক: সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ ১৬ জুন রোববার পটুয়াখালী, সাতকানিয়া ও চাঁদপুরের ২ শতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন করছে মানুষ। জানাগেছে, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোববার ঈদুল আজহা বা ইয়াওমুন নাহর উদযাপন করছেন সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরা। হানাফি মাজহাবের অনুসরণে ইউয়াউমুল আরাফাহ বা হজ দিবসের পরের দিন ঈদুল আজহা পালন করেন তারা। দুইশত বছর আগে থেকে এভাবে ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। দরবারের সূত্র জানায়, মির্জাখীল দরবার শরিফের খানকাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। হজরত শাহ জাহাঁগীর শেখুল আরেফীন (ক.), হজরত শাহ জাহাঁগীর ফখরুল আরেফীন (ক.), হজরত শাহ জাহাঁগীর শমসুল আরেফীনের (ক.) পদাঙ্ক অনুসরণ করে বর্তমান সাজ্জাদানশীন হজরত শাহ জাহাঁগীর তাজুল আরেফীনের (ক.) তত্ত্বাবধানে উনারই জানশীন হজরত ইমামুল আরেফীন ড. মৌলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান নামাজে ইমামতি করেন। সাতকানিয়ার মির্জাখীল, এওচিয়ার গাটিয়াডাঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড়, বাজালিয়া, মনেয়াবাদ, চরতি, সুঁইপুরা, হালুয়াঘোনা, চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, চরবরমা, কেশুয়া, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী, জামিরজুরি, বাঁশখালীর কালিপুর, চাম্বল, ডোংরা, শেখেরখীল, ছনুয়া, পুইছড়ি, আনোয়ারার বরুমছড়া, তৈলারদ্বীপ, বারখাইন, খাসকামা, কাঠাখালী, রায়পুর, গুজরা, লোহাগাড়ার পুঁটিবিলা, কলাউজান, চুনতী এবং সীতাকুণ্ডের মাহমুদাবাদ, বারিয়াঢালা, বাঁশবাড়িয়া, সলিমপুর, মহালংকা, ফেনী, রাঙামাটি, কুমিল্লা, ঢাকা, মুহাম্মদপুর, মুন্সীগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, মনোহরদী, মঠখোলা, বেলাব, আব্দুল্লাহনগর, কাপাসিয়া, চাঁদপুর জেলার মতলব, সিলেট, হবিগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, মীরসরাই, পটিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, রাউজান ও ফটিকছড়ির কয়েকটি গ্রামসহ শতাধিক গ্রামে দরবারের অনুসারীরা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। এছাড়া পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যাংছড়ি, কক্সবাজারের চকরিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার অনেক গ্রামে থাকা মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরাও রোববার ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। ঈদ উদযাপনের বিষয়ে মির্জাখীল দরবার শরিফের মোহাম্মদ মছউদুর রহমান বলেন, আমরা হানাফি মাজহাবের অনুসারী হিসেবে বিগত দ্বিশতাধিক বছর ধরে ইয়াউমুল আরাফাহ বা পবিত্র হজ দিবসের পরের দিনই পবিত্র ঈদুল আজহা পালন করে আসছি, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে চাঁদের অবস্থান এবং আজ হজ পালনের খবর সচিত্র অবগত হয়ে তথা এই বছর শায়খ মাহের আল মুয়াক্কিল কতৃর্ক প্রদত্ত হজের খুতবা সরাসরি পবিত্র আরাফাতের মসজিদে নামিরা থেকে দেখে-শুনেই দেশ-বিদেশে সিলসিলায়ে আলিয়া জাঁহাগীরিয়া, মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরা আগামীকাল রোববার ঈদুল আজহা উদযাপন করবে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি দেবেন। এদিকে, পটুয়াখালীতে ২১টি গ্রামে ২৫ হাজার মানুষ পবিত্র ঈদুল আযহা পালন করছে। সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামের প্রায় ২ হাজার মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম ঈদ উদযাপন করছে তারা। রবিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বদরপুর দরবার শরীফে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলার বদরপুর দরবার শরিফের খাদেম, নাজমুল হোসেন জানন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ১৯২৮ সন থেকে এখানকার গ্রামবাসীরা একদিন আগে থেকে রোজা রাখা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় একদিন আগে তারা ঈদ উদযাপন করেছিল। আজ ১৬ জুন রবিবার সকাল সকাল সাড়ে আটটায় বদলপুর দরবার শরীফ মাঠে পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জেলার ৩৫ গ্রামের মধ্যে রয়েছে গলাচিপার সেনের হাওলা, পশুরী বুনিয়া, নিজ হাওলা, কানকুনি পারা, মৌডুবি, বাউফলের মদনপুরা, রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলা খালী, কনকদিয়া, আমিরাবাদ, কলাপাড়ার নিশানবাড়িয়া, ইটবাড়ীয়া, শহরের নাঈয়া পট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া, দক্ষিণ দেবপুর। তারা সবাই হানিফি মাজহাব কাদেরিয়া তরিকা ভক্ত। এদের বর্তমান পীর চট্রগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হযরত শাহসুফি মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মমতাজ আলী। আজকে ঈদের নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম গনি, ইমাম ও খতিব বদরপুর দরবার শরীফ,পটুয়াখালী। এদিকে, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরীফসহ জেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে আজ পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। আজ ১৬ জুন রোববার সকাল ৯টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার মাঠে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে ইমামতি করেন সাদ্রা দরবার শরীফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী। নামাজ শেষে তিনি মুসলিম উম্মাহ, দেশ ও জাতির সুখ সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। এছাড়া সকাল সাড়ে ৯টায় আরেকটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঈমামতি করেন দরবার শরীফের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য গ্রামে এই মতবাদের অনুসারীরা ঈদের নামাজ আদায় ও কোরবানি করছেন। ঈদ ঘিরে এসব গ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সাদ্রা দরবার শরীফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী জানান, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা ও পবিত্র রমজানের রোজা রেখে আসছেন।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

https://dainiksurjodoy.com/wp-content/uploads/2023/12/Green-White-Modern-Pastel-Travel-Agency-Discount-Video5-2.gif

ঢাবিতে পুলিশের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ আন্দোলনকারীরা

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালী, সাতকানিয়া ও চাঁদপুরের ২ শতাধিক গ্রামে ঈদ

Update Time : ০২:২২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪

আব্দুর রহমান মানিক: সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ ১৬ জুন রোববার পটুয়াখালী, সাতকানিয়া ও চাঁদপুরের ২ শতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন করছে মানুষ। জানাগেছে, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোববার ঈদুল আজহা বা ইয়াওমুন নাহর উদযাপন করছেন সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরা। হানাফি মাজহাবের অনুসরণে ইউয়াউমুল আরাফাহ বা হজ দিবসের পরের দিন ঈদুল আজহা পালন করেন তারা। দুইশত বছর আগে থেকে এভাবে ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। দরবারের সূত্র জানায়, মির্জাখীল দরবার শরিফের খানকাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। হজরত শাহ জাহাঁগীর শেখুল আরেফীন (ক.), হজরত শাহ জাহাঁগীর ফখরুল আরেফীন (ক.), হজরত শাহ জাহাঁগীর শমসুল আরেফীনের (ক.) পদাঙ্ক অনুসরণ করে বর্তমান সাজ্জাদানশীন হজরত শাহ জাহাঁগীর তাজুল আরেফীনের (ক.) তত্ত্বাবধানে উনারই জানশীন হজরত ইমামুল আরেফীন ড. মৌলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান নামাজে ইমামতি করেন। সাতকানিয়ার মির্জাখীল, এওচিয়ার গাটিয়াডাঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড়, বাজালিয়া, মনেয়াবাদ, চরতি, সুঁইপুরা, হালুয়াঘোনা, চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, চরবরমা, কেশুয়া, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী, জামিরজুরি, বাঁশখালীর কালিপুর, চাম্বল, ডোংরা, শেখেরখীল, ছনুয়া, পুইছড়ি, আনোয়ারার বরুমছড়া, তৈলারদ্বীপ, বারখাইন, খাসকামা, কাঠাখালী, রায়পুর, গুজরা, লোহাগাড়ার পুঁটিবিলা, কলাউজান, চুনতী এবং সীতাকুণ্ডের মাহমুদাবাদ, বারিয়াঢালা, বাঁশবাড়িয়া, সলিমপুর, মহালংকা, ফেনী, রাঙামাটি, কুমিল্লা, ঢাকা, মুহাম্মদপুর, মুন্সীগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, মনোহরদী, মঠখোলা, বেলাব, আব্দুল্লাহনগর, কাপাসিয়া, চাঁদপুর জেলার মতলব, সিলেট, হবিগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, মীরসরাই, পটিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, রাউজান ও ফটিকছড়ির কয়েকটি গ্রামসহ শতাধিক গ্রামে দরবারের অনুসারীরা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। এছাড়া পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যাংছড়ি, কক্সবাজারের চকরিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার অনেক গ্রামে থাকা মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরাও রোববার ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। ঈদ উদযাপনের বিষয়ে মির্জাখীল দরবার শরিফের মোহাম্মদ মছউদুর রহমান বলেন, আমরা হানাফি মাজহাবের অনুসারী হিসেবে বিগত দ্বিশতাধিক বছর ধরে ইয়াউমুল আরাফাহ বা পবিত্র হজ দিবসের পরের দিনই পবিত্র ঈদুল আজহা পালন করে আসছি, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে চাঁদের অবস্থান এবং আজ হজ পালনের খবর সচিত্র অবগত হয়ে তথা এই বছর শায়খ মাহের আল মুয়াক্কিল কতৃর্ক প্রদত্ত হজের খুতবা সরাসরি পবিত্র আরাফাতের মসজিদে নামিরা থেকে দেখে-শুনেই দেশ-বিদেশে সিলসিলায়ে আলিয়া জাঁহাগীরিয়া, মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরা আগামীকাল রোববার ঈদুল আজহা উদযাপন করবে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি দেবেন। এদিকে, পটুয়াখালীতে ২১টি গ্রামে ২৫ হাজার মানুষ পবিত্র ঈদুল আযহা পালন করছে। সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামের প্রায় ২ হাজার মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম ঈদ উদযাপন করছে তারা। রবিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বদরপুর দরবার শরীফে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলার বদরপুর দরবার শরিফের খাদেম, নাজমুল হোসেন জানন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ১৯২৮ সন থেকে এখানকার গ্রামবাসীরা একদিন আগে থেকে রোজা রাখা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় একদিন আগে তারা ঈদ উদযাপন করেছিল। আজ ১৬ জুন রবিবার সকাল সকাল সাড়ে আটটায় বদলপুর দরবার শরীফ মাঠে পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জেলার ৩৫ গ্রামের মধ্যে রয়েছে গলাচিপার সেনের হাওলা, পশুরী বুনিয়া, নিজ হাওলা, কানকুনি পারা, মৌডুবি, বাউফলের মদনপুরা, রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলা খালী, কনকদিয়া, আমিরাবাদ, কলাপাড়ার নিশানবাড়িয়া, ইটবাড়ীয়া, শহরের নাঈয়া পট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া, দক্ষিণ দেবপুর। তারা সবাই হানিফি মাজহাব কাদেরিয়া তরিকা ভক্ত। এদের বর্তমান পীর চট্রগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হযরত শাহসুফি মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মমতাজ আলী। আজকে ঈদের নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম গনি, ইমাম ও খতিব বদরপুর দরবার শরীফ,পটুয়াখালী। এদিকে, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরীফসহ জেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে আজ পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। আজ ১৬ জুন রোববার সকাল ৯টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার মাঠে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে ইমামতি করেন সাদ্রা দরবার শরীফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী। নামাজ শেষে তিনি মুসলিম উম্মাহ, দেশ ও জাতির সুখ সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। এছাড়া সকাল সাড়ে ৯টায় আরেকটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঈমামতি করেন দরবার শরীফের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য গ্রামে এই মতবাদের অনুসারীরা ঈদের নামাজ আদায় ও কোরবানি করছেন। ঈদ ঘিরে এসব গ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সাদ্রা দরবার শরীফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী জানান, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা ও পবিত্র রমজানের রোজা রেখে আসছেন।