১০:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে লাখো মানুষের ঢল

  • আপডেট: ০৪:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • 13

চট্টগ্রাম ব্যুরো ● নানা বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠে চট্টগ্রামের রাজপথ। বুধবার ২৬ আগস্ট সকালে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৫৫তম জশনে জুলুস। সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন সড়কে ছিল মানুষের ঢল। শিশুদের চোখে উৎসাহ, তরুণদের কণ্ঠে স্লোগান আর বয়স্কদের মুখে দরুদ ও মোনাজাত। বয়সের ব্যবধান ভুলে একই কাতারে দাঁড়িয়ে জুলুসে অংশ নিয়েছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। সকাল পৌনে ১০টার দিকে পাকিস্তানের দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ.) বিশেষ গাড়িতে খানকাহর সামনে আসার পর শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুস। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) ও শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব আহমেদ শাহ (ম.জি.আ.)। জুলুসকে ঘিরে নগরজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ। গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সড়কদ্বীপ ও সড়ক বিভাজক সাজানো হয়েছে তোরণ, আনজুমানের পতাকা, ফেস্টুন ও ব্যানারে। মুরাদপুর থেকে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা পর্যন্ত বসেছে ভাসমান মেলাও। মেলায় আতর, টুপি, তসবিহ, মেসওয়াক, পাজামা, পাঞ্জাবি, জুলুসের পতাকা থেকে শুরু করে খাবার ও বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্য বিক্রি হচ্ছে। জুলুসে অংশ নেওয়া মানুষের জন্য বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পানি, শরবত ও খেজুর বিতরণ করা হচ্ছে। আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এবারের জুলুসে দেশ-বিদেশের আশেকে রাসূলরা অংশ নিয়েছেন। আনজুমান পরিচালিত তিন শতাধিক মাদরাসার সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সিলসিলার ভাই এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও এতে যোগ দিয়েছেন। ষোলশহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা থেকে শুরু হওয়া জুলুসটি মুরাদপুর, দুই নম্বর গেট, জিইসি, ওয়াসা, লালখান বাজার হয়ে টাইগারপাস পর্যন্ত যায়। এরপর একই পথে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা মাঠে ফিরে আসে। জুলুসের শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেছেন।

সর্বাধিক পঠিত

সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ

চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে লাখো মানুষের ঢল

আপডেট: ০৪:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো ● নানা বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠে চট্টগ্রামের রাজপথ। বুধবার ২৬ আগস্ট সকালে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৫৫তম জশনে জুলুস। সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন সড়কে ছিল মানুষের ঢল। শিশুদের চোখে উৎসাহ, তরুণদের কণ্ঠে স্লোগান আর বয়স্কদের মুখে দরুদ ও মোনাজাত। বয়সের ব্যবধান ভুলে একই কাতারে দাঁড়িয়ে জুলুসে অংশ নিয়েছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। সকাল পৌনে ১০টার দিকে পাকিস্তানের দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ.) বিশেষ গাড়িতে খানকাহর সামনে আসার পর শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুস। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) ও শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব আহমেদ শাহ (ম.জি.আ.)। জুলুসকে ঘিরে নগরজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ। গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সড়কদ্বীপ ও সড়ক বিভাজক সাজানো হয়েছে তোরণ, আনজুমানের পতাকা, ফেস্টুন ও ব্যানারে। মুরাদপুর থেকে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা পর্যন্ত বসেছে ভাসমান মেলাও। মেলায় আতর, টুপি, তসবিহ, মেসওয়াক, পাজামা, পাঞ্জাবি, জুলুসের পতাকা থেকে শুরু করে খাবার ও বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্য বিক্রি হচ্ছে। জুলুসে অংশ নেওয়া মানুষের জন্য বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পানি, শরবত ও খেজুর বিতরণ করা হচ্ছে। আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এবারের জুলুসে দেশ-বিদেশের আশেকে রাসূলরা অংশ নিয়েছেন। আনজুমান পরিচালিত তিন শতাধিক মাদরাসার সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সিলসিলার ভাই এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও এতে যোগ দিয়েছেন। ষোলশহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা থেকে শুরু হওয়া জুলুসটি মুরাদপুর, দুই নম্বর গেট, জিইসি, ওয়াসা, লালখান বাজার হয়ে টাইগারপাস পর্যন্ত যায়। এরপর একই পথে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা মাঠে ফিরে আসে। জুলুসের শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেছেন।