১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লোডশেডিং গ্যাস সংকটে যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ

  • আপডেট: ১১:০৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • 189

জামালপুর প্রতিনিধি : উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশের সবচেয়ে বড় ইউরিয়া সার কারখানা যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.। জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত এ কারখানায় ঘন ঘন লোডশেডিং ও গ্যাস সংকটের কারণে কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল থেকে কারখানাটির ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। কারখানার উৎপাদন বন্ধের কারণে জামালপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল ও উত্তরবঙ্গসহ ১৬ জেলায় চলতি রোপা আমন মওসুমে ইউরিয়া সারের সংকটের আশঙ্কা করছেন সার ডিলার ও কৃষকরা।

তবে কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, সার মজুদ আছে, কোনো সংকট হবে না। কারখানা সূত্রে জানা গেছে, কেপিআই-১ মানসম্পন্ন বিসিআইসির যমুনা সার কারখানাটি ১৯৯০ সালে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের তারাকান্দিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে যমুনা সার কারখানার দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ১৭০০ মেট্রিক টন। কিন্তু বিভিন্ন সময় গ্যাস সংকট এবং বিভিন্ন যান্ত্রিক দুর্বলতায় এখন তা কমে ১২০০ থেকে ১৪০০ মেট্রিক টনে নেমে এসেছে। বাৎসরিক ৩ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বিভিন্ন সংকটের কারণে ওই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না। কারখানাটিতে পরিমাণ মতো ইউরিয়া সার উৎপাদন করতে প্রতিদিন গ্যাসের প্রয়োজন ৪০ থেকে ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট।

এদিকে তারাকান্দি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা নুর ইসলাম বলেন, গ্যাসের চাপ কম থাকায় আমরা যমুনা সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করতে পারছি না। চাপ বাড়লে গ্যাস সরবরাহ করা হবে।

রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত

লোডশেডিং গ্যাস সংকটে যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ

আপডেট: ১১:০৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

জামালপুর প্রতিনিধি : উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশের সবচেয়ে বড় ইউরিয়া সার কারখানা যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.। জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত এ কারখানায় ঘন ঘন লোডশেডিং ও গ্যাস সংকটের কারণে কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল থেকে কারখানাটির ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। কারখানার উৎপাদন বন্ধের কারণে জামালপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল ও উত্তরবঙ্গসহ ১৬ জেলায় চলতি রোপা আমন মওসুমে ইউরিয়া সারের সংকটের আশঙ্কা করছেন সার ডিলার ও কৃষকরা।

তবে কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, সার মজুদ আছে, কোনো সংকট হবে না। কারখানা সূত্রে জানা গেছে, কেপিআই-১ মানসম্পন্ন বিসিআইসির যমুনা সার কারখানাটি ১৯৯০ সালে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের তারাকান্দিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে যমুনা সার কারখানার দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ১৭০০ মেট্রিক টন। কিন্তু বিভিন্ন সময় গ্যাস সংকট এবং বিভিন্ন যান্ত্রিক দুর্বলতায় এখন তা কমে ১২০০ থেকে ১৪০০ মেট্রিক টনে নেমে এসেছে। বাৎসরিক ৩ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বিভিন্ন সংকটের কারণে ওই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না। কারখানাটিতে পরিমাণ মতো ইউরিয়া সার উৎপাদন করতে প্রতিদিন গ্যাসের প্রয়োজন ৪০ থেকে ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট।

এদিকে তারাকান্দি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা নুর ইসলাম বলেন, গ্যাসের চাপ কম থাকায় আমরা যমুনা সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করতে পারছি না। চাপ বাড়লে গ্যাস সরবরাহ করা হবে।