Dhaka ১২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভারতীয় পেঁয়াজ-মরিচের দাম বেড়েছে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:০৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুলাই ২০২৩
  • 8

সূর্যোদয় প্রতিবেদক : ঈদুল আজহার আগে থেকেই বাজারে দেশি কাঁচা মরিচের দাম আকাশচুম্বী। এক পর্যায়ে সরকার কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিতে বাধ্য হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় কাঁচা মরিচ বাজারে আসলে দেশি মরিচের দাম কিছুটা কমে যায়। তবে নানা অজুহাতে গত কয়েকদিনে দেশি ও ভারতীয় কাঁচা মরিচ দুটির দামই বেড়েছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে আমদানি করা কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, যা কয়েকদিন আগেও বিক্রি হয়েছে ৩৫০ টাকা। আর দেশি মরিচের কেজি ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা। এদিকে বাজের পেঁয়াজের দামও ফের বাড়তে শুরু করেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর খুচরা ও পাইকারি বাজারগুলোতে দেশি ও আমদানি করা উভয় পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে এক কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ৮০ টাকা, যা কয়েকদিন আগেও ছিল ৭০-৭৫ টাকা। আমদানি করা ভালো মানের ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি ৫০-৫৫ টাকা, যা আগে ছিল ৪৫-৫০ টাকা। এছাড়া, লাউ, টমেটো, করলা, কালো গোল বেগুন, উস্তা, শসা, ঢেঁড়স, আলু, বরবটিসহ বেশ কিছু সবজির দাম বেড়েছে। সবজির মধ্যে শুধুমাত্র দাম কমেছে কাঁচা পেঁপের।
৭ জুলাই শুক্রবার রাজধানীর খিলগাঁও রেলগেট, গোড়ান, সিপাহীবাগ এবং দক্ষিণ বনশ্রীর কয়েকটি বাজারের বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা এসব তথ্য জানা গেছে। সপ্তাহের বাজারে প্রতি কেজি শসা ৫০-৬০ টাকা, কালো গোল বেগুন ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, উস্তা ১০০ টাকা, টমেটো ১৫০ টাকা, আলু ৪০-৪৫ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়।
জানা গেছে, গত সপ্তাহের মতো একই দামে বিক্রি হচ্ছে- জালি কুমড়া, লম্বা বেগুন, চিচিঙ্গা। বর্তমানে প্রতি পিস জালি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৪৫- ৫০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি ৭০- ৮০ টাকা, পটলের কেজি ৪০-৫০ টাকা ও চিচিঙ্গার কেজি ৪০-৫০ টাকা। ঈদের পর একমাত্র দাম কমেছে কাঁচা পেঁপের। বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। যেখানে ঈদের আগে দাম ছিল ৬০-৭০ টাকা। মেরাদিয়া হাট এলাকার পেয়াজ বিক্রেতা মো. মহসিন বলেন, বর্তমানে খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে। পাইকারি বাজার থেকে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৬ টাকা। গত ১৫ দিন আগেও এটি ছিল ৬৮ থেকে ৭৪ টাকা। অন্যদিকে খুচরা বাজারে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বলেও জানান তিনি। খিলগাঁও রেলগেট বাজারের সবজি বিক্রেতা ফজলে রাব্বি বলেন, ভারতীয় মরিচ আমদানি হলেও বাজারে চাহিদার তুলনায় এর সরবরাহ কম। যে কারণে আমদানি করা ভারতীয় কাঁচা মরিচের দাম বেশি। তাছাড়া বৃষ্টির জন্য দেশে কাঁচা মরিচের ফলন খারাপ হয়েছে। তাই দাম বেশি। তিনি বলেন, ভারত থেকে আমদানি করা কাঁচা মরিচ পাইকারি বাজার থেকে প্রতি পাল্লা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় কিনতে হয়। লাভ ছাড়া তো বিক্রি করা সম্ভব না। পাইকারি বিক্রেতারা যখন দেখে বাজারে মরিচের ক্রেতা বেশি তখন তারা ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়িয়ে দেয়। পাইকারি বাজারে দাম কমলে আমাদের এখানেও দাম কমে যাবে।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

https://dainiksurjodoy.com/wp-content/uploads/2023/12/Green-White-Modern-Pastel-Travel-Agency-Discount-Video5-2.gif

নিউইয়র্কে সেইভ দ্য পিপল’র উদ্যোগে হালাল খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ভারতীয় পেঁয়াজ-মরিচের দাম বেড়েছে

Update Time : ০৩:০৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুলাই ২০২৩

সূর্যোদয় প্রতিবেদক : ঈদুল আজহার আগে থেকেই বাজারে দেশি কাঁচা মরিচের দাম আকাশচুম্বী। এক পর্যায়ে সরকার কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিতে বাধ্য হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় কাঁচা মরিচ বাজারে আসলে দেশি মরিচের দাম কিছুটা কমে যায়। তবে নানা অজুহাতে গত কয়েকদিনে দেশি ও ভারতীয় কাঁচা মরিচ দুটির দামই বেড়েছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে আমদানি করা কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, যা কয়েকদিন আগেও বিক্রি হয়েছে ৩৫০ টাকা। আর দেশি মরিচের কেজি ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা। এদিকে বাজের পেঁয়াজের দামও ফের বাড়তে শুরু করেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর খুচরা ও পাইকারি বাজারগুলোতে দেশি ও আমদানি করা উভয় পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে এক কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ৮০ টাকা, যা কয়েকদিন আগেও ছিল ৭০-৭৫ টাকা। আমদানি করা ভালো মানের ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি ৫০-৫৫ টাকা, যা আগে ছিল ৪৫-৫০ টাকা। এছাড়া, লাউ, টমেটো, করলা, কালো গোল বেগুন, উস্তা, শসা, ঢেঁড়স, আলু, বরবটিসহ বেশ কিছু সবজির দাম বেড়েছে। সবজির মধ্যে শুধুমাত্র দাম কমেছে কাঁচা পেঁপের।
৭ জুলাই শুক্রবার রাজধানীর খিলগাঁও রেলগেট, গোড়ান, সিপাহীবাগ এবং দক্ষিণ বনশ্রীর কয়েকটি বাজারের বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা এসব তথ্য জানা গেছে। সপ্তাহের বাজারে প্রতি কেজি শসা ৫০-৬০ টাকা, কালো গোল বেগুন ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, উস্তা ১০০ টাকা, টমেটো ১৫০ টাকা, আলু ৪০-৪৫ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়।
জানা গেছে, গত সপ্তাহের মতো একই দামে বিক্রি হচ্ছে- জালি কুমড়া, লম্বা বেগুন, চিচিঙ্গা। বর্তমানে প্রতি পিস জালি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৪৫- ৫০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি ৭০- ৮০ টাকা, পটলের কেজি ৪০-৫০ টাকা ও চিচিঙ্গার কেজি ৪০-৫০ টাকা। ঈদের পর একমাত্র দাম কমেছে কাঁচা পেঁপের। বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। যেখানে ঈদের আগে দাম ছিল ৬০-৭০ টাকা। মেরাদিয়া হাট এলাকার পেয়াজ বিক্রেতা মো. মহসিন বলেন, বর্তমানে খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে। পাইকারি বাজার থেকে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৬ টাকা। গত ১৫ দিন আগেও এটি ছিল ৬৮ থেকে ৭৪ টাকা। অন্যদিকে খুচরা বাজারে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বলেও জানান তিনি। খিলগাঁও রেলগেট বাজারের সবজি বিক্রেতা ফজলে রাব্বি বলেন, ভারতীয় মরিচ আমদানি হলেও বাজারে চাহিদার তুলনায় এর সরবরাহ কম। যে কারণে আমদানি করা ভারতীয় কাঁচা মরিচের দাম বেশি। তাছাড়া বৃষ্টির জন্য দেশে কাঁচা মরিচের ফলন খারাপ হয়েছে। তাই দাম বেশি। তিনি বলেন, ভারত থেকে আমদানি করা কাঁচা মরিচ পাইকারি বাজার থেকে প্রতি পাল্লা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় কিনতে হয়। লাভ ছাড়া তো বিক্রি করা সম্ভব না। পাইকারি বিক্রেতারা যখন দেখে বাজারে মরিচের ক্রেতা বেশি তখন তারা ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়িয়ে দেয়। পাইকারি বাজারে দাম কমলে আমাদের এখানেও দাম কমে যাবে।