০৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একটি গোষ্ঠী এ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে কিন্ত তাতে বিএনপির কিছুই হবে না: সরওয়ার আলমগীর

  • আপডেট: ০৬:২৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 46

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সরওয়ার আলমগীর বলেছেন, দেশে ও দেশের বাইরে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। একটি গোষ্ঠী এ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে কিন্ত তাতে বিএনপির কিছুই হবে না কারণ দেশের ১৮ কোটি মানুষ বিএনপির পক্ষে। তিনি শুক্রবার বিকালে নাজিরহাট পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে নুরুল্লাহ মুন্সী বাড়িতে উঠান বৈঠকে একথা বলেন। উক্ত ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করে। তিনি বলেন,নির্বাচনে জিততে পারবে না, তাই বলে কেউ যদি মনে করেন নির্বাচনের দরকার নেই, সেটা তাদের সমস্যা, সেটা বাংলাদেশের জনগণের সমস্যা নয়। আমাদের কথা পরিষ্কার, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন, জনগণ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সারাদেশে ধানের শীষের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ জোয়ারে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তারা ভেসে যাবে। তিনি বলেন,জামায়াত মধু খাচ্ছে তাই নির্বাচন চায় না। কারণ নির্বাচন হওয়া মানে মধু খাওয়া শেষ। দেশবাসি তাদের আর মধু খেতে দেবে না। মুখের সামনে থেকে মধু কেড়ে নেবে। সরওয়ার আলমগীর বলেন,একমাত্র বিএনপির হাতেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিরাপদ। আমাদের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে এই দেশটাকে স্বাধীন করেছিলেন। আর কেউ তা নিরাপদ রাখতে পারবে না। আমাদের ভুলত্রুটি যাই হয়েছে, সবকিছু সংশোধন করে সামনের কঠিন পরীক্ষায় জয়লাভের জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বলেন,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পুত্র কোকোকে বিনা চিকিৎসায় হত্যা করা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অসংখ্য মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে সাজা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এবং উন্নয়নের কাণ্ডারী। তিনি দেশকে শত বছর এগিয়ে নিয়েছিলেন কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার আরও শত বছর পিছিয়ে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন। দেশের মানুষ যাকে ইচ্ছা নির্বাচিত করতে পারবে। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মালিকানার ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশ হবে জনপ্রতিনিধিত্বমূলক। বিএনপি নেতা জাহেদুল আলমের সভাপতিত্বে ও শহীদুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, মোবারক হোসেন কাঞ্চন, নাজিমুদ্দিন শাহীন,জয়নাল আবেদীন,মোহাম্মদ সিরাজুদ্দৌলা,শাহরিয়ার চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন, মোহাম্মদ রাশেদ, মোরশেদ,জসিমউদদীন,কামাল উদ্দিন,বাদশা ফকির,মোজাহারুল ইসলাম,আকরাম হোসেন,মাহফুজ,জামাল প্রমুখ।

সর্বাধিক পঠিত

একটি গোষ্ঠী এ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে কিন্ত তাতে বিএনপির কিছুই হবে না: সরওয়ার আলমগীর

আপডেট: ০৬:২৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সরওয়ার আলমগীর বলেছেন, দেশে ও দেশের বাইরে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। একটি গোষ্ঠী এ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে কিন্ত তাতে বিএনপির কিছুই হবে না কারণ দেশের ১৮ কোটি মানুষ বিএনপির পক্ষে। তিনি শুক্রবার বিকালে নাজিরহাট পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে নুরুল্লাহ মুন্সী বাড়িতে উঠান বৈঠকে একথা বলেন। উক্ত ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করে। তিনি বলেন,নির্বাচনে জিততে পারবে না, তাই বলে কেউ যদি মনে করেন নির্বাচনের দরকার নেই, সেটা তাদের সমস্যা, সেটা বাংলাদেশের জনগণের সমস্যা নয়। আমাদের কথা পরিষ্কার, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন, জনগণ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সারাদেশে ধানের শীষের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ জোয়ারে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তারা ভেসে যাবে। তিনি বলেন,জামায়াত মধু খাচ্ছে তাই নির্বাচন চায় না। কারণ নির্বাচন হওয়া মানে মধু খাওয়া শেষ। দেশবাসি তাদের আর মধু খেতে দেবে না। মুখের সামনে থেকে মধু কেড়ে নেবে। সরওয়ার আলমগীর বলেন,একমাত্র বিএনপির হাতেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিরাপদ। আমাদের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে এই দেশটাকে স্বাধীন করেছিলেন। আর কেউ তা নিরাপদ রাখতে পারবে না। আমাদের ভুলত্রুটি যাই হয়েছে, সবকিছু সংশোধন করে সামনের কঠিন পরীক্ষায় জয়লাভের জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বলেন,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পুত্র কোকোকে বিনা চিকিৎসায় হত্যা করা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অসংখ্য মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে সাজা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এবং উন্নয়নের কাণ্ডারী। তিনি দেশকে শত বছর এগিয়ে নিয়েছিলেন কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার আরও শত বছর পিছিয়ে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন। দেশের মানুষ যাকে ইচ্ছা নির্বাচিত করতে পারবে। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মালিকানার ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশ হবে জনপ্রতিনিধিত্বমূলক। বিএনপি নেতা জাহেদুল আলমের সভাপতিত্বে ও শহীদুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, মোবারক হোসেন কাঞ্চন, নাজিমুদ্দিন শাহীন,জয়নাল আবেদীন,মোহাম্মদ সিরাজুদ্দৌলা,শাহরিয়ার চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন, মোহাম্মদ রাশেদ, মোরশেদ,জসিমউদদীন,কামাল উদ্দিন,বাদশা ফকির,মোজাহারুল ইসলাম,আকরাম হোসেন,মাহফুজ,জামাল প্রমুখ।