শুভ্র নাথ চৌধূরী : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নে অবস্থিত এশিয়ার সর্ববৃহৎ দাঁতমারা রাবার বাগান এখন অস্তিত্ব সংকটের মুখে। দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে রাবারের কষ (ল্যাটেক্স) চুরির ঘটনায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, ব্যক্তিমালিকানাধীন রাবার বাগানের উৎপাদিত কষের সঙ্গে এশিয়ার সর্ববৃহৎ দাঁতমারা রাবার বাগান থেকে চুরি হওয়া রাবারের কষ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ব্যক্তিগত বাগানের উৎপাদনের আড়ালে সরকারি বাগান থেকে চুরি হওয়া বিপুল পরিমাণ রাবার সহজেই পরিবহন ও বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ব্যক্তিমালিকানায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন রাবার বাগানের আড়ালে সংঘবদ্ধ একটি চোরচক্র দাঁতমারা রাবার বাগানের কাঁচা রাবার চুরি করে পাচার করছে। এতে রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী সম্পদ ধীরে ধীরে বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত পাঁচ বছরে দাঁতমারা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসংখ্য রাবার বাগান গড়ে উঠেছে। এসব বাগানের একটি অংশের মালিকরা পেশাদার চোর নিয়োগ করে সরকারি দাঁতমারা রাবার বাগানের গাছ থেকে সংগ্রহযোগ্য কষ চুরি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে নিজেদের উৎপাদিত কষের সঙ্গে মিশিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন করা হচ্ছে। সরেজমিনে দাঁতমারা রাবার বাগান ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার রাবার গাছে ঝুলছে ছোট ছোট মাটির পাত্র। গাছের কাটা অংশ দিয়ে ঝরে পড়া সাদা দুধের মতো কষ এসব পাত্রে জমা হচ্ছে। কিন্তু বাগানের শ্রমিকরা নির্ধারিত সময়ে কষ সংগ্রহের আগেই চোরচক্র রাতের আঁধার কিংবা দিনের সুযোগে তা সরিয়ে নিচ্ছে। ফলে প্রকৃত উৎপাদনের বড় একটি অংশ হারিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, লোকবল সংকট, বিস্তীর্ণ এলাকা এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বেষ্টনীর অভাবে চুরি দিন দিন বেড়েই চলেছে। বাগান কর্তৃপক্ষের নজরদারি সীমিত থাকায় সংঘবদ্ধ চক্র সহজেই কষ সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছে।
বাকী অংশ আগামীকালের দৈনিক সূর্যোদয়ে প্রকাশিত হবে। থাকবে চমকপ্রদ তখ্য
০১:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ব্যক্তিমালিকানাধীন বাগানের আড়ালে চলছে দাঁতমারা রাবার বাগানের কষ চুরি
সর্বাধিক পঠিত



















